কক্সবাংলা ডটকম(৫ মার্চ) :: পুরোনো মোবাইলের ব্যাটারি ফুলে ওঠা, রাসায়নিক লিক বা বিস্ফোরণের মতো বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
তাই ঘরে পুরোনো ব্যাটারি রাখলে কী কী ঝুঁকি থাকে এবং কীভাবে সতর্ক থাকবেন, জেনে নিন

অনেকেরই এখন পরীক্ষা চলছে, যার জন্য তারা সারা বছর কঠোর পরিশ্রম করে পড়াশোনা করে। তবে পরীক্ষার আগে মোবাইল ব্যাটারি নিয়ে খেলতে গিয়ে দুই ছাত্রের চরম বিপদ ঘনিয়ে এল। এই দুই সহোদর ভাইয়ের মধ্যে একজন এই দুর্ঘটনায় হাতের বুড়ো আঙুল হারিয়েছে এবং বাকি চারটি আঙুল মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের রেওয়া জেলায়। রিপোর্ট অনুযায়ী, এক ভাইয়ের বয়স ১০ বছর। অন্যজন তার ছোট ভাই অনুজ কুমার। বাড়িতে যখন দুই ভাই একা ছিল, তখন তারা একটি পুরোনো মোবাইলের ব্যাটারি নিয়ে খেলছিল। তবে ব্যাটারিটি ঠিক কী কারণে ফেটে গেল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

পুরানো ফোনের ব্যাটারি ঘরে রাখার ফলে বেশ কিছু ক্ষতি হতে পারে। আসুন একে একে সেই কারণগুলো জেনে নিই:

ব্যাটারি ফুলে যাওয়া ও বিস্ফোরণ: ফোনের ব্যাটারি একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর নষ্ট হয়ে যায় এবং খারাপ ব্যাটারি ফুলে ওঠে। ফুলে যাওয়া ব্যাটারি ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি: পুরানো ফোনের ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণে তাতে শর্ট সার্কিট হতে পারে। এর ফলে ঘরে থাকা অন্যান্য জিনিসে আগুন লেগে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

রাসায়নিক নিঃসরণ: পুরানো ব্যাটারি থেকে রাসায়নিক লিক বা চুইয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। যদি এই রাসায়নিক জামাকাপড়, ত্বক বা ভুলবশত চোখে চলে যায়, তবে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রমাণিত হতে পারে।

বিস্ফোরণের ঝুঁকি:পুরানো স্মার্টফোনের ব্যাটারির ওপর যদি চাপ পড়ে কিংবা কোনো কিছু দিয়ে সেটিকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, তবে এমন পরিস্থিতিতে ব্যাটারিটি বিস্ফোরিত হতে পারে। এই বিস্ফোরণ মারাত্মকভাবে জখম করার ক্ষমতা রাখে।

পুরানো ব্যাটারি নিয়ে কী করবেন?পুরানো স্মার্টফোন বা তার ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে ঘরে ফেলে রাখবেন না। বাজারে এমন অনেক স্টার্টআপ বা সংস্থা রয়েছে যারা পুরানো স্মার্টফোন কেনে; তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফোনটি বিক্রি করে দিন। এছাড়া, পুরানো ফোন বা তার ব্যাটারি সরাসরি রোদে রাখবেন না। এমনটা করা বিপজ্জনক প্রমাণিত হতে পারে এবং ব্যাটারি বিস্ফোরিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।














