এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও :: ঈদুল ফিতর দরজায় কড়া নাড়ছে। পুরোদমে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা।
ঈদগাঁওয়ের ডজনাধিক মার্কেট ও শপিংমলে পুরুষের চেয়ে নারী ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড় লক্ষনীয়।
নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী কেনাকাটায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। দম ফেলানোর সুযোগ নেই।
দক্ষিণ চট্টলার বৃহৎ বানিজ্যিক কেন্দ্র কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাজারে শুরু হলো চলতি মৌসুমে ব্যবসায়ীদের ঈদ ব্যবসা।
দেখা যায়, উপজেলার প্রধান ঈদগাঁও বাজারের কাপড়ের গলিসহ বিভিন্ন অলিগলিতে জমে উঠেছে ঈদ মৌসুমের জমজমাট ব্যবসা।
প্রতিটি দোকানে ক্রেতাদের পছন্দ মোতাবেক নিত্যনতুন ডিজাইনের কাপড়ে ভরপুর করে তুলেছে। আলোক সজ্জাতেও যেন পিছিয়ে নেই।
আরো দেখা যায়, ঈদগাঁওর নিউ মার্কেট,রহমানিয়া মার্কেট,শফি সুপার মার্কেট,বেদার মার্কেট, মাতবর মার্কেট, সেইফ ইসলামিয়া শপিং কমপ্লেক্স, জাপান মার্কেট, ঝিনুক মার্কেট,নুরে সখিনা মার্কেট, আজীম সিটি সেন্টারসহ বিভিন্ন শপিংমলে এবারের ঈদের শপিংয়ে নারীরা নতুন ত্রি-পিছের প্রতি ঝুঁকছেন।
শাড়ীতে কম সংখ্যক ক্রেতা। প্রায় প্রতিটি মার্কেটে চোখ ধাঁধানো নজরকাটা ত্রি-পিছের লোভে পড়ছে তরুনী ও নারীরা। নানা নামের বেশি দামী ত্রি-পিছ ঈদের বাজারে চেয়ে গেছে।
১০ মার্চ (মঙ্গলবার) দুপুরে ঈদগাঁও বাজারের বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি কাপড়ের দোকানে নারী ক্রেতাদের ভরপুর।
দোকানের কর্মচারীরা নারী ও তরুনীদের খুলে খুলে দেখাচ্ছেন বিভিন্ন ডিজাইনের ত্রি-পিছ। দামও হাকাঁচ্ছেন দ্বিগুন।
পছন্দও অপছন্দের দোলাচলে দুলছে নারী ক্রেতারা।
লাইটিংয়ের ফলে কাপড়ের রং আরো উজ্জ্বল করে তুলেছেন। কাপড় কিনতে কেউ আসছে মা বাবা,কেউবা আত্বীয় স্বজনদের সাথে আসছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা জানান, পরিবার নিয়ে এবার ঈদের কেনাকাটা করতে আসছি।
ত্রি-পিছসহ প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে। কাপড়ের মান হিসেবে দাম একটু চড়া।
ঈদগাঁও বাজারের মাশফিয়া বুটিকসের মালিক মোহাম্মদ জাবেদ জানান, এবারের ঈদ বাজারে নারীরা শাড়ীর পরিবর্তে ত্রি-পিছের প্রতি ঝুঁকছেন।













