এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :: ঈদগাঁওতে দীর্ঘ বছরেও গড়ে উঠেনি কোল্ড স্টোরেজ। কৃষক দের উৎপাদিত পন্য আলু (কোল্ড স্টোরেজ) না থাকায় দূরবর্তী হিমাগারে সংরক্ষণ করতে হচ্ছে।
অযথা শ্রম ও অর্থের অপচয় হচ্ছে। পাশাপাশি বিপাকে পড়েন স্থানীয় কৃষকরা।
উপজেলার আওতাধীন প্রত্যন্ত এলাকায় কৃষকেরা অতি কষ্টের বিনিময়ে আলু উৎপাদন করে। কিন্তু মজুত করে রাখার কোন ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে সল্প মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রি করতে হয়।
এতে কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
কৃষকরা জানান,ঈদগাঁও উপজেলায় কোল্ড স্টোর স্থাপন করা হলে তাদের উৎপাদিত সব্জি আলু সেখানে রাখতে পারবে।
এতে তারা এ পণ্যের ন্যায্য মূল্যে যেমন পাবেন, তেমনি বিপুল পরিমাণ এ সব্জি নষ্টের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন।
কিন্তু দীর্ঘদিনেও এটি স্থাপিত না হওয়ায় চরম দু:শ্চিন্তায় স্থানীয় আলু চাষীরা।
মঙ্গলবার সকালে মাইজ পাড়ায় ট্রাক ভর্তি বীজের আলু লোহা গাড়ার উপজেলার আধুনগর কোল্ড স্টোরে নিয়ে যাওয়ার চিত্র চোখে পড়েন।
জানা যায়, উপজেলার ইসলামপুর,ইসলামাবাদ,জালালাবাদ, পোকখালী, ঈদগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় আলু চাষ হয়।
তবে কোল্ড স্টোর না থাকায় ফসল তোলার পর কৃষক ন্যায্যমূল্য পাননা। বাধ্য হয়ে কম দামে সবজি বিক্রি করতে হয়।
চাষী ছব্বির জানান, আলুর বীজের জন্য উপজেলা পেরিয়ে বাহিরের ওপর নির্ভর করতে হয়। এটি থাকলে তারা নিজেদের বীজ নিজেই সংরক্ষণ করতে পারতেন।
কোল্ড স্টোর থাকলে কৃষকরা বড় পরিসরে চাষাবাদে আগ্রহী হবেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে।













