কক্সবাংলা ডটকম :: নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য ড্র হওয়ার পর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। ভারতের হয়ে ঋষি সিংয়ের নেয়া প্রথম শটটি ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন।
এরপর ভারত টানা তিনটি গোল করলেও জিততে পারেনি। মোর্শেদ, চন্দন ও বদলি নামা রিয়াদ ফাহিম লক্ষ্যভেদ করে বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতায় রাখেন ভালোভাবে।
বাংলাদেশের চতুর্থ শটে স্যামুয়েল রাকসাম বল লাগান ক্রসবারে, তাতে ম্যাচ ৩-৩ সমতায় ফিরে আসে। পঞ্চম শটে ভারতের ওমাং দোদাম বল পোস্টের অনেক ওপর দিয়ে মারলে আবার আশা জাগে বাংলাদেশের।
এরপর রোনান সুলিভান দলের হয়ে শেষ শটে দারুণ এক গোল করে বাংলাদেশকে ভাসান শিরোপা ধরে রাখার আনন্দে।
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী যমজ ভাই রোনান সুলিভান ও ডেকলান সুলিভান অভিষেক টুর্নামেন্টেই ট্রফি জয়ের স্বাদ পেলেন। রোনান ফাইনালে গোল না করলেও পুরো টুর্নামেন্টে ছিলেন উজ্জ্বল। দুই গোলের পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে করিয়েছেন আরো এক গোল।
ম্যাচ জয়ের পর অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত। এমন একটা জয় নিয়ে গর্ব করাই যায়। দেশের হয়ে শিরোপা জিততে পেরে বেশি ভালো লাগছে। দর্শকদের ধন্যবাদ, তারা পুরোটা সময় আমাদের সমর্থন দিয়ে গেছেন।’
ভীষণ উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ কোচ মার্ক কক্স বলেছেন, ‘এ ফুটবলাররা হারতে জানে না। তারা কখনো হাল ছাড়ে না। আজও সেটাই করে দেখিয়েছে। তারা তাদের পতাকার জন্য খেলে।’
এ নিয়ে তৃতীয়বার অনূর্ধ্ব-২০ সাফের ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। ২০২২ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনাল ভারতের কাছে হারের পর ২০২৪ সালে নেপালকে তাদেরই মাটিতে হারিয়ে শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। গত বছর আবারো ভারতের কাছে ফাইনালে হেরেছে লাল-সবুজরা।
এ আসরটি ছিল অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের। অনূর্ধ্ব-১৮/১৯/২০ সাফ চ্যাম্পিয়ন সেটিই বাংলাদেশের একমাত্র শিরোপা।
বয়সভিত্তিক সাফে ভারত চারবার এবং নেপাল ও বাংলাদেশ দুবার করে শিরোপা জিতেছে। এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ, যার মধ্যে শিরোপা এসেছে দুটি।
যুব সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে তিনবার, অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে তিনবার ও অনূর্ধ্ব-১৮ পর্যায়ে দুবার প্রতিযোগিতা হয়েছে। গতকাল মালেতে শিরোপা উৎসব করে ব্যবধান কমাল বাংলাদেশের যুবারা।














