সোয়েব সাঈদ, রামু :: কক্সবাজারের রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের অফিসেরচর এলাকায় পুকুর ভরাট ও ফলজ গাছ কেটে জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম রামু থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহারে অভিযুক্ত করা হয়েছে স্থানীয় সাইয়েদ আবুল আলা (৪৮), তার স্ত্রী আয়েশা বেগম (৩৫), ছেলে আদনান (১৮) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০/৩০ জনকে। সকলের বাড়ি একই ইউনিয়নের অফিসেরচর এলাকায়।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সাইয়েদ আবুল আলা ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে রফিকুল ইসলাম তার ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত বসতবাড়ি সংলগ্ন পুকুরে মাছ চাষ ও পুকুরপাড়ে ফলজ বাগান করে আসছিলেন।
কিন্তু অভিযুক্তরা জবরদখলের উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন সময় তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিল।
বুধবার, ৮ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সাইয়েদ আবুল আলার নেতৃত্বে উল্লেখিত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, করাত ও দা নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে বাদীর পুকুর ও বাগানে অনধিকার প্রবেশ করে। পরে তারা দুটি পিকআপযোগে মাটি এনে পুকুর ভরাটের চেষ্টা চালায়।
একই সময়ে তারা পুকুরপাড়ে থাকা আম, জাম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় ফলজ গাছ নির্বিচারে কেটে দেয়।
এতে বাদীর প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
পরে রাতেই তিনি রামু থানায় খবর দিলে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
এদিকে ঘটনার পরও অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে মারধর ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভূক্তভোগীরা জানিয়েছেন- সাইয়েদ আবুল আলা এলাকার চিহ্নিত মামলাবাজ ও ভূমিদস্যু।
তার বিরুদ্ধে এলাকার অসংখ্য নিরীহ লোকজনকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির চরম অভিযোগ রয়েছে।
রামু থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ ফরিদ জানিয়েছেন- খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।














