আরো স্পষ্ট করলে, ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৪১ হাজার কোটি। অর্থাৎ বিএনপি সরকারের দেড় মাসেই তা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ। ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকদের মতে, সরকার এমন আগ্রাসী ঋণ নিলে থেমে যাবে প্রবৃদ্ধির গতি।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সরকার যদি এরকম ব্যাংক থেকে ঋণ বেশি নেয়, সেটা কিন্তু আলটিমেটলি রাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই যে ঋণ নিচ্ছে, এই ঋণ পরিশোধ করা নিয়েও দেখা যাবে যে সরকার সংকটে পড়ে গেছে।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ব্যাংকিং খাতে একটা ভীষণ তারল্য সংকট চলছে এবং গত ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট কঠিন কঠিন কিছু ক্লাসিফিকেশন রুল আনাতে অনেক ব্যবসায়ী নতুন করে ব্যাংকের থেকে ফাইনান্স পেতে পারছেন না। আমরাও দেখেছি যে প্রায় অর্ধেক ব্যাংকে, প্রায় ২৩টা ব্যাংকে বলা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকার একটা ক্যাপিটাল শর্ট ফল আছে। ওরাও ফাইনান্স দিতে পারছে না।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ বাড়ে প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকা। মূলত এই ঋণের বেশিরভাগই নিয়েছে ইউনূস সরকার।













