কক্সবাংলা ডটকম :: ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর। তার পরে কেটে গিয়েছে আড়াই বছরেরও বেশি সময়। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটল বৃহস্পতিবার।
বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজ়িলের জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফিরলেন নেইমার। তারকা ফুটবলারের প্রত্যাবর্তনের দিনে আরও একবার জ্বলে উঠলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র।
তাঁর জোড়া গোলে গ্রুপের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় তুলে নিল সেলেকাওরা। ৩-০ গোলে জিতে বিশ্বকাপের নক আউটে পৌঁছে গেল কার্লো আন্সেলোত্তির ব্রাজ়িল।
চলতি বিশ্বকাপে তিন ম্যাচ খেলে চারটি গোল করে ফেললেন ভিনিসিয়াস।
শুরু থেকেই দাপট ভিনিসিয়াসের
চোটের কারণে এই ম্যাচে খেলেননি রাফিনিয়া। তাঁর জায়গায় রায়ানকে খেলান কোচ কার্লো আন্সেলোত্তি। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্দে ছিলেন ভিনিসিয়াস। ম্যাচে সাত মিনিটেই লিড নেয় ব্রাজ়িল।
স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার স্কট ম্যাককেনার ভুলের সুযোগে বল পেয়ে যান ভিনি। গোলকিপারকে টপকে জালে বল জড়িয়ে দিতে ভুল করেননি এই তারকা উইঙ্গার।
২২ মিনিটে ফের একবার গোল করেন ভিনিসিয়াস। তবে ভিনি আগে স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার হেন্দ্রিককে ফাউল করায় VAR চেক করে এই গোল বাতিল করেন রেফারি।
গোল খেলেও আক্রমণ শানাচ্ছিলেন স্কটল্যান্ডের রবার্টসন, ম্যাকটমিনে, ম্যাকগিনরা।
তবে প্রথমার্ধ শেষের ঠিক আগে ফের জ্বলে ওঠেন ভিনি। স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডারদের ভুলে ডান প্রান্তে বল পেয়ে যান ব্রনো গিমারায়েস।
তাঁর লব করা বল আটকাতে গিয়ে অনেক আগেই আউটিং করে বসেন স্কটিশ গোলকিপার। দুরন্ত রানে নিজের মার্কারকে টপকে মাপা হেডে গোল করেন ভিনিসিয়াস। ২-০ গোলে শেষ হয় প্রথমার্ধ।
মাপা ফিনিশে লিড বাড়ান কুনহা
দ্বিতীয়ার্ধেও খেলার গতিপ্রকৃতি পাল্টায়নি। দুই উইং থেকে বারবার স্কটল্যান্ডের রক্ষণে হানা দেন ভিনি ও রায়ান। মাঝমাঠে নজর কাড়েন ব্রুনো ও লুকাস পাকুয়েতা।
৬০ মিনিটের মাথায় তৃতীয় গোল তুলে নেয় ব্রাজ়িল। কাউন্টার অ্যাটাকে বল পেয়ে আক্রমণে ওঠেন ব্রুনো। তবে বিপক্ষের বক্সে ঢুকে শট নেননি তিনি। ডানদিকে বাড়িয়ে দেন মাথিউস কুনহাকে।
গোলকিপারের নাগাল এড়িয়ে কোণাকুণি শটে ফিনিশ করেন কুনহা।
৯৮০ দিন পরে কামব্যাক নেইমারের
সকলে যে মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিলেন, তা আসে ৭৬ মিনিটে। মাথিউস কুনহাকে তুলে নিয়ে নেইমারকে নামান আন্সেলোত্তি।
উচ্ছ্বাসে ও হাততালিতে ফেটে পড়ে স্টেডিয়াম। প্রায় ১৮-২০ মিনিট মাঠে ছিলেন নেইমার। বেশ কয়েকটি টাচ ও থ্রু বল বাড়িয়ে নজর কাড়েন তিনি।
শেষে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি সেলেকাওরা। হ্যাটট্রিক হাতছাড়া করেন ভিনি। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলে জিতে মাঠ ছাড়ে ব্রাজ়িল।
তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকেই নক আউটে গেল তারা।














