রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯ চৈত্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকে দখলমুক্ত করার সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসনের

🗓 রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

👁️ ১৬৬ বার দেখা হয়েছে

🗓 রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

👁️ ১৬৬ বার দেখা হয়েছে

দীপন বিশ্বাস :: কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে বসানো দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অংশীজনদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কক্সবাজারের সদ্য যোগদান করা জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার অঞ্চলের প্রধান অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিদুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজীব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আহমেদ পিয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সৈকতের বালিয়াড়িতে যেসব অবৈধ স্থাপনা রয়েছে তা স্ব-উদ্যোগে সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আহ্বান জানানো হয়েছে। আহ্বানে সাড়া না দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে দোকানপাট বসানো এবং স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক পড়েছে।

গত এক বছরে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক, সুগন্ধা, কলাতলী, দরিয়ানগর, হিমছড়ি, সোনারপাড়া, ইনানী, পাটুয়ারটেক ও টেকনাফ সৈকতে কয়েক শ দোকানপাট ও স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে। সৈকতের জনপ্রিয় পর্যটন স্পটগুলোয় বেশি দখলের ঘটনা ঘটছে।

অভিযোগ উঠেছে, গত মাসে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের বদলির আদেশ আসার পরপরই সুগন্ধা পয়েন্ট সৈকতে শতাধিক টংঘর বানিয়ে বসানো হয়। পাশাপাশি সৈকতের অন্যান্য পয়েন্টেও বসেছে ভ্রাম্যমাণ দোকানপাট।

পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, মাস তিনেকের মধ্যে সৈকতে ৬০০ চেয়ার-ছাতা, ২০০-এর মতো ভ্রাম্যমাণ দোকান, ভ্রাম্যমাণ লকার এবং পর্যটন খাতের বিভিন্ন ব্যবসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এসব অনুমতি নিয়েই সৈকতের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ ওঠে।

কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকত ১৯৯৯ সালে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে সরকার। আইন অনুযায়ী, সৈকতের জোয়ার-ভাটার অঞ্চল থেকে ৩০০ মিটার পর্যন্ত যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ ও উন্নয়ন নিষিদ্ধ।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বর এবং ২০২৩ সালেও একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জেলা প্রশাসন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল। কিন্তু পরক্ষণেই প্রতিবেশ-সংকটাপন্ন এলাকায় দখল হয়ে যাচ্ছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, ‘সৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে ব্যবসা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। বালিয়াড়িতে তৈরি দোকানপাট ও স্থাপনা স্ব-উদ্যোগে সরিয়ে নেওয়ার জন্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

 

এই বিভাগ এর আরো খবর

সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

এক দিনে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর