বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ ফাল্গুন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেয়ার বাংলাদেশের উদ্যোগে “ক্লাইমেট অ্যাডাপটেশন অ্যান্ড ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট” অনুষ্ঠিত

🗓 বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

👁️ ১৪১ বার দেখা হয়েছে

🗓 বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

👁️ ১৪১ বার দেখা হয়েছে

বিজ্ঞপ্তি(১৭ ডিসেম্বর) :: কেয়ার বাংলাদেশ আজ ঢাকায় “ক্লাইমেট অ্যাডাপটেশন অ্যান্ড ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট” শীর্ষক একটি জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জলবায়ু-সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, এনজিও/আইএনজিও, বেসরকারি খাত, গণমাধ্যম থেকে শুরু করে, কমিউনিটি পর্যায়ের প্রতিনিধিগণ।

অনুষ্ঠানে কেয়ার বাংলাদেশের জলবায়ু অভিযোজনের উপর উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলো তুলে ধরা হয়।

পাশাপাশি আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়, কীভাবে দেশের উন্নয়নখাতকে প্রচলিত বিদেশি অনুদাননির্ভরতা থেকে বের করে এনে লাভজনক, স্বনির্ভর এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল মডেলের দিকে এগিয়ে নেওয়া যায়—যা জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা গণমানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত মহামান্য ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ডেনমার্ক তার জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে আছে, তবে আমরা বাংলাদেশের কাছ থেকেও শুনতে ও শিখতে এসেছি।

কারণ এই দেশ বারবার প্রমাণ করেছে, উদ্ভাবনের সঙ্গে সহনশীলতা যুক্ত হলে সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জও কীভাবে আশার আলো জাগাতে পারে।”

উদ্বোধনী বক্তব্যের পর কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাম দাস তুলে ধরেন, “আমরা দেশের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি।

একই সঙ্গে এককালীন ও অনুদাননির্ভরতার ধারা থেকে বেরিয়ে এসে দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়নকে সহায়তা করবে—এমন আরও টেকসই অর্থায়ন মডেলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পক্ষে আমরা জোরালোভাবে কাজ করছি।”

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকমন্ডলী সরাসরি কমিউনিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার ও মতবিনিময়ের সুযোগ পান।

এতে তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবে কীভাবে জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, সে সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও বাস্তব চিত্র উঠে আসে। পরবর্তীতে টেকসই ও প্রভাবভিত্তিক জলবায়ু-সহনশীল উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এখানে প্রভাবের জন্য বিনিয়োগ (ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট), সহায়ক নীতিমালা এবং বিভিন্ন খাতের অংশীদারিত্বের গুরুত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়, যা স্থানীয়ভাবে পরিচালিত জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগকে আরও বড় পরিসরে ও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করতে সাহায্য করতে পারে।

সমাপনী বক্তব্যে কেয়ার বাংলাদেশের হিউম্যানিটারিয়ান অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ফিউচার্স প্রোগ্রামের পরিচালক কায়সার রিজভী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও মূল্যবান অবদানের জন্য উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

একই সঙ্গে তিনি জলবায়ু-সহনশীল ও প্রভাবভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যেতে কেয়ার বাংলাদেশ সকল অংশীদারের সাথে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করবে বলে জানান।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর