নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া :: কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে পৌরসভা ও মেহেরনামা ইউনিয়ন গঠনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
প্রশাসনের উদ্যোগে ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে।
২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আবদুল মান্নান।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুল আলম মাহাবু, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নুরুল আখতার নিলয় এবং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ মাঠ জরিপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ কার্যক্রম শুরু করেন।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২৭ এপ্রিল চকরিয়া উপজেলা থেকে বারবাকিয়া ইউনিয়ন, মগনামা ইউনিয়ন, রাজাখালী ইউনিয়ন, টইটং ইউনিয়নসহ পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়।
পরে বারবাকিয়া থেকে শিলখালী ইউনিয়ন এবং মগনামা থেকে উজানটিয়া ইউনিয়ন সৃষ্টি হলে বর্তমানে সাত ইউনিয়ন নিয়ে উপজেলার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
জনদাবির প্রেক্ষিতে বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি দেন পেকুয়াকে পৌরসভায় উন্নীত করা এবং চকরিয়া উপজেলা থেকে মাতামুহুরি নামে নতুন একটি পৃথক উপজেলা গঠনের।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পরই সালাহউদ্দিন আহমদ পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরি উপজেলা প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন।
এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার পাঠানো হয়।
পরে ২২ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি প্রেরণ করা হয়।
পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ জানান, সালাহউদ্দিন আহমদের যেমন কথা তেমন কাজ। পৌরসভা গঠনে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সীমানা নির্ধারন কাজ চলছে।
মন্ত্রী পরিষদে দায়িত্ব পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে পৌরসভা গঠনের কাজ শুরু করেছে। পেকুয়াবাসীর বহুদিনের আশা পূরণ হতে চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে মাঠ পর্যায়ে জরিপ চালিয়ে পৌরসভার সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, সীমানা নির্ধারণের পাশাপাশি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা প্রস্তুত করা হবে।
প্রশাসনের এই উদ্যোগের ফলে পেকুয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠা প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যাবে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।













