নজরুল ইসলাম,কুতুবদিয়া :: কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় ফিসিং ট্রলারে জলদস্যু হামলা ও পৃথক নৌ-দুর্ঘটনার ঘটনায় গ্রেফতার পাঁচ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
এর মধ্যে হত্যা মামলার এক আসামির পাঁচ দিনের এবং ট্রলার দুর্ঘটনা মামলার চার আসামির তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলার উত্তর ধূরুং ইউনিয়ন সংলগ্ন সাগর এলাকায় জলদস্যুদের গুলিতে শাহাদাত হোসেন খোকন নামে এক জেলে নিহত হন।
তিনি উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই জসিম উদ্দিন কুতুবদিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব-১৫ কক্সবাজার সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত ৬ নম্বর আসামি মোহাম্মদ আরিফকে গ্রেফতার করে।
পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে কুতুবদিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
অন্যদিকে একই দিনে ফিসিং ট্রলি জাহাজের ধাক্কায় ১৭ জন মাঝিমাল্লাবাহী একটি ট্রলারে দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুইজন জেলে নিহত হন।
এ ঘটনায় ট্রলারের মালিক নাছির উদ্দীন বাদী হয়ে কুতুবদিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, ওসি মাহবুবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং উপপরিদর্শক প্রবাল সিনহার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এম টি মেরিনটাই-১ জাহাজে থাকা ফিশিং জাহাজের স্কিপার, ইঞ্জিনিয়ার ও পরিচালকসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতে হাজির করলে তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
এদিকে গ্রেফতার আরিফকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন কুতুবদিয়া ফিসিং মালিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন এবং নিহতদের স্বজনরা।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।














