রোতাব চৌধূরী :: বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, মজুদ, সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৫ এপ্রিল হতে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ (আটান্ন) দিন সকল প্রকার মৎস্য, নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে সরকার।
সরকারের এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কক্সবাজার সদর কার্যালয়ের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌরসভার নাজিরারটেক শুটকীমহাল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হুদা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সম্পদের নিরাপদ প্রজনন, প্রজননের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, দায়িত্বশীল সংরক্ষণ এবং সহনশীল আহরণ এই বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরণের মাছ ধরায় ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
এ লক্ষে সাগরে মাছে ভরপুর করে তুলতে এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজয় পাল।
সভাপতির বক্তব্যে সুজয় পাল বলেন,নিষেধাজ্ঞার কারণে সমুদ্রের মাছ বড় হলে মৎস্য ব্যবসায়ি, জেলে সকলেই এর সুফল ভোগ করবে।
তাই দেশের ও নিজেদের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সকলকে সরকারের এ নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে মেনে চলার আহবান জানান তিনি।
সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা রাশেদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মধ্য কুতুবদিয়া পাড়া মৎস্য সহ- ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আবুল বশর,পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া মৎস্য সহ- ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হামিদুল হক,সদর উপজেলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি আমান উল্লাহ সওদাগর,সদর উপজেলা ফিশার্স ফেডারেশনের সভাপতি মো: গিয়াস উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক মো ইয়াকুব বক্তব্য রাখেন।
সভায় বক্তারা, মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর টহল জোরদারকরণসহ যথাযথভাবে সরকারী খাদ্য সহায়তা প্রদান করার কথা জানান।
এসময় স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ি,মৎস্য আহরণকারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়।














