কক্সবাংলা ডটকম :: প্রায় আড়াই বছর পরে জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন। বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়া।
ব্রাজ়িল দলে নেইমারের কামব্যাকটা ছিল যেন রুপকথার গল্পের মতো। কিন্তু ফের কাঁটা হয়ে উঠেছে চোট।
কাফ মাসলে চোটের কারণে শেষ তিন সপ্তাহ বল পায়ে মাঠে নামেননি নেইমার। সেলেকাওদের হয়ে খেলতে পারেননি একটাও প্রস্তুতি ম্যাচে।
আদৌ বিশ্বকাপের আগে ফিট হয়ে প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলবেন কি না, তা নিয়েও বাড়ছিল সংশয়। এমন আবহে কিছুটা আশার আলো ব্রাজ়িল শিবিরে।
প্রকাশ্যে এসেছে স্ক্যানের রিপোর্ট। কী জানা গিয়েছে রিপোর্টে?
কাফ মাসলে যে চোট পেয়েছিলেন নেইমার, তা থেকে বেশ ভালো রিকভারি হচ্ছে, এমনটাই জানা গিয়েছে ব্রাজ়িলের জাতীয় দলের সূত্রে।
সোমবার নেইমারের একটি MRI স্ক্যান করা হয়। প্রকাশ্যে এসেছে সেই স্ক্যানের রিপোর্ট। সেখানে দেখা গিয়েছে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে নেইমারের পায়ের চোটের অবস্থার।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগেই পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন তিনি, এমনটাই আশা করছে সেলেকাও শিবির।
এই নিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়েছে ব্রাজ়িল ফুটবল কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে। সেখানে বলা হয়, ‘টেস্টে দেখা গিয়েছে, চিকিৎসায় ভালোভাবে সাড়া দিচ্ছেন নেইমার।
এ ভাবেই রিকভারি ও শারীরিক সক্ষমতার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবেন উনি। জাতীয় দলের মেডিক্যাল স্টাফরা সব সময় নজর রাখছেন নেইমারের উপরে।’
এই চোটের জন্য পানামা ও মিশরের বিরুদ্ধে দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচেই খেলেননি নেইমার। ১৩ জুন মরক্কোর বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে অভিযান শুরু করবে ব্রাজ়িল।
তার আগে ফিট হয়ে ওঠাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ নেইমারের কাছে।
নেইমার আগেই জানিয়েছিলেন এটাই তাঁর কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। সেলেকাওদের হয়ে ১২৮ ম্যাচে ৭৯টি গোল করেছেন তিনি।
এর আগে ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২২ সালের বিশ্বকাপে খেলেছিলেন তিনি। তবে একবারও বিশ্বজয়ের স্বাদ পাননি। তাই চতুর্থ বিশ্বকাপে সেই খরা কাটানোই স্বপ্ন নেইমারের।
২০০২ সালে শেষবার বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজ়িল। চোট থাকলেও নেইমারকে সামনে রেখেই ফের বিশ্বসেরা হওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন সেলেকাও সমর্থকরা।













