এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :: ঈদগাঁও উপজেলায় চলতি মৌসুমে কচু চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। ঝুঁকি ছাড়া লাভের ফলে স্থানীয়দের আগ্রহ বাড়ছে কচু চাষে।
গরীবের সবজি হিসেবে পরিচিত কচু চাষে কোন ঝুঁকি না থাকা সত্ত্বেও অধিক লাভজনক। অন্যান্য ফসলের পরিবর্তে কৃষকরা ঝুঁকিবিহীন কচু চাষে মনোযোগ দিচ্ছেন।
দেখা যায়, কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের পাড়া মহল্লায় জমিতে বা সড়কের পাশ্ববর্তী পরিত্যাক্ত খালি জায়গায় কচু চাষাবাদের দৃশ্য চোখে পড়ে।
সে সাথে বিভিন্ন পরিবারের গৃহীনিরা শখের বশে জমিতে সুস্বাদু কচু চাষ করে সফলতাও খুঁজে পেয়েছে।
ক্রমাগত চাহিদা বৃদ্ধি,ভাল বাজারমূল্য পাওয়ায় কচু চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। কচু চাষে অল্প পরিচর্যা করতে হয়। পাশাপাশি ঝুঁকি ও কম।
কৃষকরা জানান, কচু গাছের বহুমুখি ব্যবহার হয়। প্রথমতো কচুর পাতা সবজি হিসেবে খাওয়া যায়, কচুরশক্ত শরীর ও কচুরলতি পুষ্টিকর তর কারি হিসেবে খাওয়া যায়, কচুর গাছ থেকে মূল বা চারা হিসেবেও বিক্রি করা যায়। ঝুঁকি ছাড়া নি:সন্দেহে লাভজনক।
বর্তমানে স্থানীয় বাজারে কচুকন্দ ও কচুর লতি কেজি দরে ভালো বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সবজির চেয়ে কচুর স্বাদও পুষ্টিগুণ বেশি থাকায় চাহিদা ও বাড়ছে।
গরু,ছাগল কচু খায়না,দেখাশোনার জন্য বাড়তি কোন শ্রমিকের প্রয়োজনও হয়না। জমিতে মুখিকচু রোপণের ৭ সপ্তাহে মধ্যে বিক্রি উপযোগী হয়ে উঠে।
এলাকার কজন কৃষক জানান, ঝামেলা কম ও কম খরচে কচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠে অনেকে।
তবে বানিজ্যিকভাবে তেমন চাষ না থাকলেও ঘরোরাভাবে কচু চাষাবাদে সম্পৃক্ত বহুজনের।
এলাকার কৃষকদেরকে যদি কৃষি কর্মকর্তারা কচু চাষের পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ বা সচেতন করে তুললে, তারা এগিয়ে যেত এই চাষাবাদে।
ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ নোমান জানান, ঈদগাঁওতে বানিজ্যিক ভাবেই কচু চাষাবাদ হয়না,এলাকা ভিত্তিক ঘরোয়াভাবে কিছু কিছু করে থাকেন এলাকার লোকজনরা।














