মোঃ রমজান আলী, মহেশখালী :: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং উপকূলীয় অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট নিরিখে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় মহেশখালীতে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ।
৬ জুলাই (সোমবার) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।
খাদ্য সহায়তা বিতরণ কার্যক্রমে উপকারভোগীদের হাতে চাল তুলে দেন সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ সাথে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ ডালিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও), স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানাযায়, প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করে খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
যাতে কোনো অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির অভিযোগ না ওঠে। সরকারের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিকে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের কোনো মানুষ যেন অভুক্ত না থাকে।
সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে খাদ্য সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মহেশখালী-কুতুবদিয়ার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
একই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলের অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়াতে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।”
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমরান মাহমুদ ডালিম জানান, উপকারভোগীদের সহায়তা পৌঁছে দিতে তালিকা যাচাই-বাছাই এবং বিতরণ কার্যক্রমে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাতে াোন অনিয়ম ও দুর্ণীতি না হয়।
স্হানীয়রা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা চলমান খাদ্য সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণ করা দরকার যাতে অসহায়, গরীব, দুঃস্থদের দুঃখ-দুর্দশা সামান্য হলেও লাঘব হয়।















