কক্সবাংলা ডটকম(৭ সেপ্টেম্বর) :: রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক সংঘর্ষ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, দখলদারিত্ব ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে রাজধানীতে ঘটে যাওয়া দুটি ঘটনা যেন সেই উদ্বেগকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
গত ৩০ আগস্ট রাতে মাদক কারবারের আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে রাজধানীর গেন্ডারিয়ার স্বামীবাগ ও মুন্সিরটেক এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়। এ সময় এলোপাতাড়ি গুলিতে এক নারীসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। আহত হন আরও কয়েকজন। এর আগের দিন শনিবার ভোরে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার সামনে ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ হারান বগুড়া থেকে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য আসা স্কুলশিক্ষিকা রনজিনা পারভীন। তিনি বাগবাড়ি বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন কোনো অপরাধ নয়; বরং দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিরই প্রতিফলন। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, খুন, অবৈধ দখলদারিত্ব এবং কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা ক্রমেই জনজীবনে আতঙ্ক তৈরি করছে। প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করেও নানা ধরনের বিরোধ ও অপরাধ বাড়ছে। ফলে স্বাভাবিক জীবনযাপন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ।
চাঁদাবাজির ঘটনাও অনেক ক্ষেত্রে রীতিমতো নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বড় ব্যবসায়ী, আবাসন প্রতিষ্ঠান ও করপোরেট অফিস—কেউই চাঁদাবাজদের টার্গেটের বাইরে নয়। রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এসব অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে অপরাধীদের গ্রেফতার করলেও জামিনে বেরিয়ে এসে তাদের অনেকে ফের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ছয় মাসে প্রায় এক লাখ মামলা
পুলিশ সদর দপ্তরের সর্বশেষ ছয় মাসের অপরাধ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণেও অপরাধ বৃদ্ধির চিত্র উঠে এসেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ছয় মাসে দেশের বিভিন্ন থানায় বিভিন্ন অপরাধে মোট ৯৯ হাজার ৯৯২টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যা মামলা রয়েছে এক হাজার ৭৯১টি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ছয় মাসে প্রতি মাসে গড়ে ১৬ হাজার ৬৬৫টির বেশি মামলা হয়েছে। দৈনিক হিসাবে গড়ে মামলা হয়েছে প্রায় ৯৩টি।
এই সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে। এ ধরনের মামলা হয়েছে ১১ হাজার ১৬৫টি। এছাড়া দ্রুত বিচার আইনে ৪০৮টি, ডাকাতির ঘটনায় ২৬৫টি, ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৯০৪টি এবং অপহরণের ঘটনায় ৫১২টি মামলা হয়েছে। চুরির ঘটনায় মামলা হয়েছে চার হাজার ৮০৮টি এবং সিঁধেল চুরির ঘটনায় এক হাজার ৫৯১টি। অন্যান্য অপরাধে মামলা হয়েছে ৪১ হাজার ৯২৫টি।
এ ছাড়া পুলিশ আক্রান্তের ঘটনায় ৩১৬টি, দাঙ্গার ঘটনায় ১৩টি এবং অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় ৩৬ হাজার ২৯৮টি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে এর আগের ছয় মাসে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে বিভিন্ন অপরাধে মামলা হয়েছিল ৮৯ হাজার ১২টি। ওই সময়ে হত্যা মামলা ছিল এক হাজার ৭৮০টি। দ্রুত বিচার আইনে ৪৬০টি, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ১০ হাজার ৯০টি, ডাকাতির ঘটনায় ৩২৮টি, ছিনতাইয়ে ৯৬০টি এবং অপহরণে ৫৬৩টি মামলা হয়।
চুরির ঘটনায় পাঁচ হাজার ১৩টি এবং সিঁধেল চুরিতে এক হাজার ৬৫৯টি মামলা হয়েছিল। পুলিশ আক্রান্তের ঘটনা ছিল ২৮৫টি এবং দাঙ্গার মামলা ১০টি। অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছিল ২৯ হাজার ৪৮৫টি।
রাজধানীতেও অপরাধের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা
শুধু রাজধানীর পরিসংখ্যানেও অপরাধের চিত্র নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ছয় মাসে ঢাকার বিভিন্ন থানায় বিভিন্ন অপরাধে আট হাজার ৪৪টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যা মামলা ১২৭টি।
এই সময়ে ডাকাতির ঘটনায় ১৮টি, দ্রুত বিচার আইনে ২৯টি, দস্যুতার ঘটনায় ১৩১টি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ৭৭৮টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের মামলা ৩২৮টি। অপহরণের মামলা হয়েছে ৯৪টি। সিঁধেল চুরির ঘটনায় ২৬২টি, গাড়ি চুরিতে ২২৪টি এবং অন্যান্য চুরির ঘটনায় ৩৫০টি মামলা হয়েছে।
উদ্ধারজনিত মামলার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। এ ধরনের মামলা হয়েছে তিন হাজার ২৭টি। এর মধ্যে অস্ত্রের ঘটনায় ৮৪টি, বিস্ফোরকের ঘটনায় ১৩টি, চোরাচালানে ৬৯টি এবং মাদকসংক্রান্ত মামলা রয়েছে দুই হাজার ৭৬২টি। এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬৩টি এবং অন্যান্য ঘটনায় দুই হাজার ৮৩২টি মামলা হয়েছে।
এর আগের ছয় মাসে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় মামলা হয়েছিল আট হাজার ৬৬৫টি। ওই সময়ে হত্যা মামলা ছিল ১৪৭টি। দস্যুতার ঘটনায় ১৯৬টি, ডাকাতিতে ১৬টি, দ্রুত বিচার আইনে ৫৯টি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ৮১৭টি মামলা হয়েছিল। এর মধ্যে ধর্ষণের মামলা ছিল ৩১৭টি।
এ ছাড়া সিঁধেল চুরিতে ২৬৯টি, গাড়ি চুরিতে ১৮৩টি এবং অন্যান্য চুরিতে ৪৮৭টি মামলা হয়। সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় ১৩২টি মামলা হয়েছিল। উদ্ধারজনিত মামলা ছিল তিন হাজার ৩২৬টি। এর মধ্যে অস্ত্রসংক্রান্ত ১০৯টি, বিস্ফোরকসংক্রান্ত ৮৬টি, চোরাচালানের ৭০টি এবং মাদকসংক্রান্ত তিন হাজার ৬১টি মামলা ছিল। অন্যান্য ঘটনায় মামলা হয়েছিল তিন হাজার ১৭টি।
দূতাবাসেও চাঁদাবাজির হুমকি
অপরাধের ধরনেও নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। চাঁদাবাজরা এখন বিভিন্ন দূতাবাস ও হাইকমিশনে ই-মেইলের মাধ্যমে অর্থ দাবি করে হুমকি দিচ্ছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানিয়েছে, গত ১৭ ও ১৯ আগস্ট চীন, তুরস্ক ও পাকিস্তানসহ অন্তত চারটি বিদেশি দূতাবাস এবং কয়েকটি সরকারি দপ্তরে চাঁদা চেয়ে হুমকি দেওয়া হয়। এর পেছনে একটি অপরাধী চক্র কাজ করছে বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিফুল ইসলাম জানান, ঘটনাটিকে সাধারণ চাঁদাবাজি হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বিদেশি কূটনীতিক ও দূতাবাসগুলোর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা হিসেবেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতারে বিশেষ টিম কাজ করছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এর বাইরে বিভিন্ন কাঁচাবাজার, পরিবহন খাত ও নির্মাণাধীন ভবনেও প্রকাশ্যে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে মারধর কিংবা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
রাজনৈতিক পালাবদলের সুযোগ নিয়ে একশ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সুবিধাবাদী চক্র অন্যের জমি, প্লট, মার্কেট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ ও চাঁদাবাজি
সম্প্রতি পুরান ঢাকার সদরঘাট এলাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে গত ১৫ আগস্ট সূত্রাপুরের ইস্ট বেঙ্গল সুপার মার্কেটে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন নিহত হন।
এর আগে আগস্টের শুরুতে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ ওঠে। চাঁদা না দেওয়ায় এক প্রবাসী ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন ১১ তলা ভবনের গেট লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা এলাকাতেও বালু সরবরাহ ও ঠিকাদারি কাজের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত ২৫ আগস্ট রাতে এক ঠিকাদারের প্রায় এক কিলোমিটার বালু পরিবহনের পাইপ ভেঙে দেওয়া হয়। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে ঠিকাদারের করা চাঁদাবাজি ও ভাঙচুরের মামলায় ৩০ আগস্ট অভিযান চালিয়ে কদমতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সালাম শেখসহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের তৎপরতা
অপরাধ বৃদ্ধির এই বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অপরাধ বৃদ্ধি ঠেকাতে পুলিশের উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ ওসসমান গণি বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে আদালতে সোপর্দের পর আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।
মাদক ও অর্থনৈতিক কারণকে অপরাধপ্রবণতার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চাঞ্চল্যকর প্রায় ৯৫ শতাংশ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। অপরাধীরা যাতে দ্রুত জামিন না পায়, সে বিষয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং প্রতিটি মামলায় জামিনের বিরোধিতা করা হচ্ছে।
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সাদা পোশাকে ডিবি ও সিটিটিসির একাধিক টিম সক্রিয় রয়েছে। রাজধানীর আটটি অপরাধ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে তারা কাজ করছে।
কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজধানীতে কিশোর গ্যাংকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ কাজে র্যাবও যুক্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে রাজধানীতে ‘কিশোর গ্যাং’ নামে কোনো গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না—এমন পরিস্থিতি তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এদিকে সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তরের ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন। অপরাধীদের রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কর্মকর্তা ভূমিকা রাখলে কিংবা দায়িত্ব পালনে নিষ্ক্রিয়তা দেখালে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেশের সব ইউনিটকে চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অপরাধের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ঠেকাতে শুধু অভিযান ও গ্রেফতার নয়, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, অপরাধীদের জামিন-পরবর্তী নজরদারি এবং রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধ করাও জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ছয় মাসে কোন অপরাধ কত?
অপরাধের ধরন | মামলা |
|---|---|
মোট মামলা | ৯৯,৯৯২ |
হত্যা | ১,৭৯১ |
নারী ও শিশু নির্যাতন | ১১,১৬৫ |
ছিনতাই | ৯০৪ |
ডাকাতি | ২৬৫ |
অপহরণ | ৫১২ |
চুরি | ৪,৮০৮ |
সিঁধেল চুরি | ১,৫৯১ |
উদ্ধারসংক্রান্ত (অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান, বিস্ফোরক) | ৩৬,২৯৮ |
গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ১৬ হাজার ৬৬৫টি এবং প্রতিদিন প্রায় ৫৫৬টি মামলা রেকর্ড হয়েছে। তুলনামূলকভাবে আগের ছয় মাসে (২০২৫ সালের আগস্ট–২০২৬ সালের জানুয়ারি) মোট মামলা ছিল ৮৯ হাজার ১২টি, অর্থাৎ সামগ্রিক অপরাধে স্পষ্ট ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।














