এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :: দিন যতই সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন, ততই গ্রামীন জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটছে। জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী-কক্সবাজারে যোগাযোগ সড়কটি।
জানা যায়,মহাসড়ক পরবর্তীতে কক্সবাজারমুখী মানুষের জন্য যোগাযোগের অন্যতম সহজতর মাধ্যম হচ্ছে ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী-কক্সবাজার সড়কটি।
দীর্ঘকাল ধরে এই সড়ক ব্যবহার করে ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন ৫টি ইউনিয়নে লোকজন ছাড়াও চকরিয়া উপজেলা খুটাখালী সহ আশপাশ এলাকার মানুষরা জনগুরুত্বপূর্ণ কাজকর্মে কক্সবাজার আসা-যাওয়া করে থাকে।
মহাসড়ক হয়ে কক্সবাজার পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ঘন্টা মতো। তার পাশাপাশি বিভিন্ন পয়েন্টে যানজট ভোগান্তি। হরেক রকম দূর্ঘটনা আতংক ও কাটছেনা যাত্রী সাধারণের মাঝে।
অন্যদিকে কক্সবাজার টার্মিনাল থেকে অন্য পরিবহন নিয়ে প্রয়োজনীয় কাজে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। এতে করে অর্থ ও সময়ের অপচয় ঘটছে প্রায় প্রতিদিনই।
দেখা যায়,ঈদগাঁও-চৌফলদন্ডী হয়ে খুরুস্কুল পরিষদের সামনে দিয়ে কক্সবাজার পৌঁছাতেই সময় লাগে আধাঘন্টাও বেশি। খুরুস্কুল রাস্তা মাথা হতে কাঁচা সড়ক দিয়ে কক্সবাজারের নতুন সেতু পরবর্তী সিএনজি স্টেশনে পৌঁছাতে সময় লাগে ১৫/২০ মিনিট। যদিও সড়কটি অনুন্নয়ন।
পুরাতন সড়কের পরিবর্তে এখন রাস্তার মাথা হয়ে মাটির সড়ক দিয়ে সিএনজি,টমটম,অটো রিকসা,মোটর সাইকেলসহ অধিকাংশ পরিবহন চলাচল করছে প্রতিনিয়ত। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চৌফলদন্ডীর যোগাযোগের ব্যবস্থা।
সময়ের দিকে বিবেচনা করে এ সড়কটি ব্যবহার করে যাচ্ছে মানুষরা এমনটা জানান সিএনজির যাত্রী আবদু রহমান।
সিএনজি চালক সায়েদ হোসেন জানান, এখন রাস্তার মাথা সড়কটি হয়ে কক্সবাজারে চলাচল করছে বেশিরভাগ পরিবহন ও লোকজন। দ্রুত সময়ে পৌঁছানো সম্ভব তাই এই সড়কটি ব্যবহার করে যাচ্ছেন যাত্রীরা।
হেনা নামের আরেক যাত্রী জানান, কক্সবাজার বদর মোকাম থেকে কাঁচা রাস্তা হয়ে চৌফলদন্ডী সেতু পয়েন্টে পৌঁছতে সময় লেগেছে মাত্র ১৯ মিনিট।
টমটম চালক এন মোহাম্মদ জানান, রাস্তার মাথা হয়ে মাটির সড়কটি পরিপূর্ণ সংস্কার হয়ে গেলেই আরও দ্রুতগতিতে কক্সবাজার শহরে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সচেতন মহলের দাবী, যোগাযোগের সুবিধার্থে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবী সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট।














