রবিবার ৮ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সী-গাল হোটেলের সাবেক সিইও ইমরুল ইসলাম সিদ্দিকী রুমীর মৃত্যু

🗓 রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

👁️ ৩৮ বার দেখা হয়েছে

🗓 রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

👁️ ৩৮ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা রিপোর্ট :: কক্সবাজারের তারকা হোটেল সী-গালের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও পর্যটন শিল্পোদ্যোক্তা ইমরুল ইসলাম সিদ্দিকী (রুমী) আর নেই।

ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৬ নভেম্বর বিকেল ৩ টায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

হৃদযন্ত্রের ভাল্‌ভসংক্রান্ত জটিলতার চিকিৎসা নিতে গিয়ে মাত্র ৫৭ বছর বয়সে তাঁর এই অকাল মৃত্যু হয়।

ইংল্যান্ডে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম সুপরিচিত পারিবারিক প্রতিষ্ঠান সী-গাল হোটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কর্মজীবনে তাঁর দক্ষতা, আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের মাধ্যমে তিনি বিশেষ সুনাম অর্জন করেছিলেন।

তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদে কক্সবাজারসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তাঁর অকাল প্রয়াণের খবরে অনেকেই শোকাহত হয়ে পড়েছেন।

জানা যায়,সাতক্ষীরার সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ইমরুল ইসলাম ছিদ্দিকী রুমী কক্সবাজারের প্রথম তারকা মানের সীগাল হোটেলের সাবেক সিইও। লন্ডনে হোটেল ম্যানেজমেন্ট কোর্স করা রুমী দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর তার দায়িত্বে সীগালকে দেশের আইকনিক হোটেল করার রূপকার। গতবছর থেকে তার একমাত্র সন্তান ঢেউ’র উচ্চ মাধ্যমিক লেখাপড়ার কারণে দীর্ঘদিনের কর্মস্থল কক্সবাজার এবং ক্যারিয়ার ছেড়ে পরিবার সহ ঢাকায় থাকতো।

ইমরুল ইসলাম সিদ্দিকী রুমী একটি সম্ভ্রান্ত ও সুপরিচিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা আমিনুল ইসলাম সিদ্দিকী তথ্য মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছিলেন।

তাঁর চাচা ছিলেন সাবেক বিচারপতি কামরুল সিদ্দিকী। তাঁর বড় বোন শাহীন নার্গিস কনা এবং ভাই তানবীর সিদ্দিকী (কাজল) একজন বিশিষ্ট আইনজীবী ও সাংবাদিক।

তাঁর ভগ্নিপতি দেশের খ্যাতনামা শিল্পপতি ও সী-গাল হোটেল, হোয়াইট হাউস হোটেল এবং সী-গাল স্পার স্বত্বাধিকারী মাসুম ইকবাল তাঁকে সন্তানের মতোই স্নেহ করতেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, একমাত্র কন্যা ঢেউ, অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সী-গাল হোটেলে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর আন্তরিক ব্যবহার, অতিথিপরায়ণতা ও চমৎকার আতিথেয়তা দেশি-বিদেশি অতিথিদের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল।

তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা একজন দক্ষ, আন্তরিক ও গুণী ব্যক্তিত্বকে হারালেন।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর