বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মারা গেলেন বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকার

🗓 বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

👁️ ৫২ বার দেখা হয়েছে

🗓 বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

👁️ ৫২ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম :: বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নানা পাটেকার মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার গোয়ায় নিজের বাসভবনে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তাঁকে বাসভবনে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ভোর ৫টা ২০ মিনিটে নানা পাটেকারকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। তবে এতে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নানা পাটেকার হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন।

‘নাটসম্রাট’, ‘ওয়াজুদ’, ‘পরিন্দা’, ‘আব তক ছাপ্পান’ ও ‘যশবন্ত’-এর মতো সিনেমায় তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে।

১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তাঁর। পরে ‘শক্তি: দ্য পাওয়ার’ (২০০২), ‘আব তক ছাপ্পান’ (২০০৪), ‘অপহরণ’ (২০০৫) ও ‘ট্যাক্সি নম্বর ৯২১১’ (২০০৬)-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা পান।

এ ছাড়া ‘ওয়েলকাম’ (২০০৭) ও এর সিক্যুয়েল ‘ওয়েলকাম ব্যাক’ (২০১৫)-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে অভিনয় করে ভিন্নধর্মী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম বরেণ্য অভিনেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন নানা পাটেকার।

অভিনয়ের জন্য তিনি তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন। চলচ্চিত্র ও শিল্পকলায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে তাকে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী প্রদান করা হয়।

মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার মুরুদ-জঞ্জিরায় এক মারাঠি পরিবারে জন্ম নানার। ১৯৭৮ সালের ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিনয়জীবন শুরু করেন তিনি। এরপর হিন্দি ও মারাঠি ভাষার বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন।

১৯৮৮ সালে অস্কার মনোনীত সিনেমা ‘সালাম বোম্বে’-তে অভিনয়ের পর তার ক্যারিয়ারে নতুন মাত্রা যোগ হয়। ১৯৮৯ সালের আলোচিত অপরাধভিত্তিক সিনেমা ‘পরিন্দা’-তে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে সেরা পার্শ্ব অভিনেতার সম্মান পান।

অভিনয়ের পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গেও ছিল নানার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ১৯৮৮ সালে তিনি টেরিটোরিয়াল আর্মিতে ক্যাপ্টেন হিসেবে যোগ দেন। ‘প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’ সিনেমার প্রস্তুতির সময় তিনি প্রায় তিন বছর সামরিক প্রশিক্ষণ নেন। পরে ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধের সময় মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রির সঙ্গে মেজর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে টেরিটোরিয়াল আর্মি থেকে অবসর নেন তিনি।

এই বিভাগ এর আরো খবর

কৃষিপণ্যে বছরে ক্ষতি ২৯ হাজার কোটি

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

ডাইনোসরের বিলুপ্ত হয়েছিল যেভাবে

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর