রোতাব চৌধূরী :: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সাশ্রয়ী কোল্ড স্টোরেজ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি প্রকল্প এর অর্থায়নে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কক্সবাজারের এর সহযোগিতায় কৃষান/কৃষাণী, কৃষি উদ্যোক্তা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কর্মকর্তাদের সাথে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে ঝিলংজা হর্টিকালচার সেন্টারের হলরুমে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
হর্টিকালচার সেন্টারের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ কুতুবউদ্দিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. বিমল কুমার প্রামানিক বলেন,কৃষকদের নিদারুণ কষ্ট ও অর্থে উৎপাদিত সবজি পঁচে নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং সঠিক সময়ে স্টোরেজ থেকে বের করে ন্যায্য মূল্য পেতে উক্ত মিনি কোল্ড স্টোরেজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।
প্রশিক্ষণের মুল আলোচনায় উক্ত প্রকল্পের পরিচালক কৃষিবিদ তালহা যুবায়ের মাশরূর বলেন, এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের সবজি ও ফল সংরক্ষণে সহায়তা করে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো এবং তাদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা।
তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে কৃষি মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করছে ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সাশ্রয়ী কোল্ড স্টোরেজ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি প্রকল্প’। এর আওতায় প্রাথমিকভাবে সারাদেশে ১০০টি ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু করা হচ্ছে।
প্রতিটি ঘরভিত্তিক কোল্ড স্টোরেজে ১০ টন পণ্য রাখা যায়, প্রচলিত কোল্ড স্টোরেজের তুলনায় এই সংস্করণটির খরচ ৭০ শতাংশ কম।
কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকার্তা মো: লোকমান হাকিম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে অন্যান্যদের মধ্যে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফজলুল ইসলাম, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উর্ধর্তন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোস্তাক আহমেদ,অতিরিক্ত উপপরিচালক নিক্সন পাল,সদর উপজেলা কৃষি অফিসার রাশেল রানা,উপসহকারি কৃষি অফিসার সুপন বড়ুয়া,জেলা কৃষকদলের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন,কৃষি উদ্যোক্তা আব্দুর রশিদ,সবজি ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন,কৃষক আতিক বক্তব্য রাখেন।
প্রশিক্ষণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ ৫০ জন কৃষি উদ্যোক্তা,কৃষক/কৃষানি উপস্থিত ছিলেন।













