সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ চৈত্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির সুযোগ ভারতের

🗓 শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

👁️ ৮২ বার দেখা হয়েছে

🗓 শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

👁️ ৮২ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(২১ মার্চ) :: বলা হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পৃথিবীটাকে বরাবরের জন্য বদলে দিয়েছিল।

সার্বিক ভাবে না পারলেও যে কোনও যুদ্ধই অল্পবিস্তর বদলে দেয় বহু কিছু। যেমন সাম্প্রতিক ইরান-আমেরিকা সংঘাতেও হয়েছে।

আমেরিকার যে ইমেজ ছিল সুপারপাওয়ার হিসেবে তা ধাক্কা গিয়েছে প্রবল ভাবে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি বুঝতে পারছে কোথাও একটা ভুল থেকে গিয়েছে তাদের।

যুদ্ধ মিটলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলি নিশ্চিত ভাবেই ভাবনাচিন্তা শুরু করবে তাদের প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। তছনছ হয়ে যায় তেহরান-সহ ইরানের একাধিক অঞ্চল।

হামলায় মৃত্যু হয় আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। জবাবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকার একাধিক সেনাঘাঁটি ও ইজরায়েলে হামলা চালিয়েছে ইরান।

কুয়েত, বাহরিন, ওমান, জর্ডন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্কের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে গত ১৯ দিন ধরে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্য। আর এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির আস্থা কমেছে আমেরিকার প্রতি।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লি চাইছে সুযোগটা পুরোদস্তুর নিতে।

জানা যাচ্ছে, ভারতের লক্ষ্য বর্তমান অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণের খরচ বাড়িয়ে ১.৭৫ লক্ষ কোটি করা।

পাশাপাশি ২০২৯ সালের মধ্যে তা ৩ লক্ষ কোটি করার লক্ষ্যমাত্রাও ধার্য করা হয়েছে।

Indian Defence Exports: A New Era of Global Military Supply

এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক অনুষ্ঠানে আশ্বাস দিয়েছেন, ভারত আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশীয় ড্রোন উৎপাদনের একটি বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চাইছে।

আর সেজন্য নয়াদিল্লি অবশ্যই ‘মিশন মোডে’ কাজ করতে মরিয়া।

এখানে বলে রাখা ভালো ‘আত্মনির্ভর’ ভারত ২০১৪-১৫ সালে ৪৬ হাজার ৪২৯ কোটির দেশীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণ করেছিল। যা ২০২৩-২৪ সালে বেড়ে হয় ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা!

২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা পৌঁছে গিয়েছে ১.৫৪ লক্ষ কোটিতে। এবং ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতের রপ্তানিকৃত প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৬২২ কোটি টাকায়।

২০১৪ সালে তা ছিল ১ হাজার কোটি। এক দশকের নিরিখে পরিবর্তনটা অবশ্যই অভাবনীয়।

আর এই আত্মবিশ্বাসের জায়গায় দাঁড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লি চাইছে সুযোগটা পুরোদস্তুর নিতে।

জানা যাচ্ছে, ভারতের লক্ষ্য বর্তমান অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণের খরচ বাড়িয়ে ১.৭৫ লক্ষ কোটি করা। পাশাপাশি ২০২৯ সালের মধ্যে তা ৩ লক্ষ কোটি করার লক্ষ্যমাত্রাও ধার্য করা হয়েছে।

‘আত্মনির্ভর’ ভারত ২০১৪-১৫ সালে ৪৬ হাজার ৪২৯ কোটির দেশীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণ করেছিল।

যা ২০২৩-২৪ সালে বেড়ে হয় ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা!

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ থামলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াবে, তা নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়।

যুদ্ধবিমান, রণতরী, ড্রোন, মিসাইল-ধ্বংসী ব্যবস্থা সব দিক থেকেই অস্ত্রের ভাঁড়ার আরও মজবুত করতে চাইবে তারা। আর এই সুযোগটাই নিতে চাইছে ভারত।

এমনিতেই এদেশের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশেরই সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। সেই সুসম্পর্কের কথাও মাথায় রাখছে নয়াদিল্লি।

India's Defence Revolution: From World's Top Importer to Rising Global Arms  Exporter- Know More - https://indianmasterminds.com

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর