মঙ্গলবার ৬ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অযত্ন অবহেলার ঈদগাঁওর রাবার ড্যাম, সৌন্দর্য ও নিরাপত্তার দাবী

🗓 শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ১৫২ বার দেখা হয়েছে

🗓 শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ১৫২ বার দেখা হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :: সেচ কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট রাবার ড্যাম। এছাড়াও পর্যটকদের বিনোদনের জায়গা ও বটে এটি।

১৯৮৬ সালে স্থাপিত কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে একমাত্র রাবার ড্যামটি কালের গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে দীর্ঘবছর ধরে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও নীরব দর্শকের ভূমিকায়।

রাবার ড্যাম অফিসের সিডি দরজাও ভাঙ্গা। অফিস রুমটি রাতে হয়ে উঠে মাদকসেবীও অপরাধীদের আখড়াস্থল। চলাচলের ফুট ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ।

নিবার্চিত দায়িত্বপ্রাপ্তরা উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন নজর দিচ্ছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে।

দেখা যায়, পুরনো রাবার ড্যামের চারপাশে নেই কোন ঘেরাবেড়া। বলতে গেলে সম্পূর্ণ অরক্ষিত। ড্যামের রাবার এবং স্লূইচ গেইটে আবর্জনায় পরিপূর্ণ।

রাত্রিকালে দু-কুলে লাইট না থাকায় ভূতুড়ে পরিবেশের সৃষ্টি। নেই নিরাপত্তা কর্মী। উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন নজর দিচ্ছেন না রাবার ড্যামের দায়িত্বপ্রাপ্তসহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।

ড্যামের পাশ্ববর্তী যাতাযাতের ছোট্ট ফুট ব্রীজটির মাঝখানে কিছু অংশে ফাটল ধরেছে। ব্রীজের উভয় পাশে কোন গাইড ওয়াল না থাকায় প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা বাড়ছে।

দীর্ঘ প্রায় তিনযুগ পূর্বে স্থাপিত রাবার ড্যামটির জীর্ণদশা দেখেই এলাকাবাসী চরমভাবে আক্ষেপ এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

এটির এমন অবস্থার কারণে নানা অপরাধী চক্র ড্যাম পয়েন্টকে নিরাপদ স্থান হিসেবে অপরাধ করতে দ্বিধাবোধও করেননা।

এটির পশ্চিম পাশে দৃষ্টিনন্দন রেল সড়ক, বায়ু বিদ্যুৎ। যেখানেই প্রতিদিন বিকেলে ভ্রমণপিপাসু নারী পুরুষ ছুটে আসেন সৌন্দর্য উপভোগ করতে।

প্রাপ্ত তথ্য জানা যায়,মাঝামাঝি সময়ে এ রাবার ড্যামের চারপাশ নানা জাতের ফুলের সুগন্ধে মুখরিত ছিল। অপরুপে ভরা সৌন্দর্য মন্ডিত ফুল বাগান দেখতে স্থানীয় দর্শনার্থীরাও ভীড় জমাতো।

নিরাপত্তা থাকতো রাবার ড্যামের আওতাভুক্ত এলাকা। পূর্বেকার দিনের সেসব চিত্র এখন আর চোখে পড়েনা। রাবার ড্যাম এখন শ্রীহীন হয়ে পড়েছে।

চরপাড়ার সন্তান ও ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন জানান, ২০০০ সালের পর থেকে রাবার ড্যামের অবস্থা খুব শোচনীয়। করুন পরিস্থিতি।

কোন প্রকার ঘেরাবেড়া নেই, রংকরণের কাজ নেই, ব্রীজের দুপাশে গাইটওয়াল নেই, যেকোন সময় ফুট ব্রীজটি ধসে যেতে পারে। অফিসটিও পরিত্যাক্ত অবস্থায়।

রাবার ড্যাম কতৃপক্ষ এসব বিষয়ে দেখেননা,উন্নয়নের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করছেন না। পাশাপাশি এলজিডির কর্মকর্তারাও রাবার ড্যামের উন্নয়নে দৃষ্টি দেননা।

এটিকে পূর্বের ন্যায় সৌন্দর্য এবং নিরাপত্তায় ফিরিয়ে আনার দাবী।

রাবার ড্যামের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছোট্ট জানান, ঘেরা বেড়া,লাইটিং,নিরাপত্তা,সৌন্দর্য এবং রংকরনসহ সবোপরি উন্নয়ন তার পরিকল্পনায় রয়েছে। পযার্য়ক্রমে সবকিছু হবে।

এই বিভাগ এর আরো খবর

উখিয়ায় কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজা ঘিরে সতর্ক বিএনপি

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর