মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১ চৈত্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান ঘিরে যেসব নির্দেশনা দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

🗓 বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ৬৯ বার দেখা হয়েছে

🗓 বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ৬৯ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(৯ এপ্রিল) :: বাংলা নববর্ষ, পহেলা বৈশাখ-১৪৩৩ উদযাপনকে ঘিরে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার।

এর অংশ হিসেবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ফানুস উড়ানো ও আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এদিকে নববর্ষ উদযাপন বা বৈশাখী উৎসবকে ঘিরে দেশের তিন পার্বত্য জেলায় বিদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশ রোধে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকা, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরে আয়োজিত সব অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

একই সঙ্গে বিকেল ৫টার পর এসব এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ থাকবে।

এদিকে একই দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত সভা হয়েছে। পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সভার সিদ্ধান্তগুলো জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, নববর্ষের দিন (১৪ এপ্রিল) নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ঢাবির মেট্রোরেল স্টেশন দিনভর বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাবি এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ছাড়া কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে (র‌্যাব, পুলিশ, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা) সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে।

ইভটিজিং, পকেটমার ও উচ্ছৃঙ্খলতা ঠেকাতে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

এ ছাড়া হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এবং কোস্টগার্ডের নৌ টহল থাকবে।

বড় জনসমাগমস্থলে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ঢাকা ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রমনা পার্কে জরুরি চিকিৎসাসেবার জন্য মেডিকেল টিম ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হবে।

ভিড়ে কেউ হারিয়ে গেলে সহায়তার জন্য সেখানে ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড’ কেন্দ্র স্থাপন ও মাইকিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।

এ ছাড়াও নববর্ষের দিন নিরাপত্তার কারণে ফানুস ও আতশবাজি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা উসকানিমূলক প্রচার ঠেকাতে পুলিশের সাইবার ইউনিট ও সিআইডি সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধু রাজধানী নয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বৈশাখী উৎসবকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে তিন পার্বত্য জেলায় বিদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশ রোধে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

মায়ানমারের নাগরিকসহ কোনো বিদেশি যাতে এসব অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগ এর আরো খবর

টেকনাফে একদিনে ২৭ অপরাধী আটক

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর