বুধবার ১৩ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে লবণখাতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও পুষ্টির দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

🗓 বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

👁️ ৪৫ বার দেখা হয়েছে

🗓 বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

👁️ ৪৫ বার দেখা হয়েছে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :: কক্সবাজারে লবণচাষি ও মিলারদের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পুষ্টি উন্নয়ন বিষয়ে দক্ষতা বাড়াতে পৃথক দুটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার আয়োজিত এসব কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক লবণচাষি ও মিলার অংশগ্রহণ করেন।

লবণচাষিদের জন্য চৌফলদণ্ডী মডেল হাই স্কুলে এবং লবণ মিলারদের জন্য বিসিক ভবনে আলাদাভাবে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন) যৌথভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে।

গেইনের ‘জিরো হাঙ্গার প্রাইভেট সেক্টর প্লেজ ইনিশিয়েটিভ’ এবং বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের সহায়তায় পরিচালিত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাট লোকাল লেভেল (কল)’ কর্মসূচির আওতায় এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে জলবায়ু সহনশীল চাষাবাদ পদ্ধতি, টেকসই উৎপাদন কৌশল এবং লবণ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতে পুষ্টি–সংবেদনশীল পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিকের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে লবণচাষি ও মিলারদের সক্ষমতা বৃদ্ধি টেকসই উৎপাদন ও জীবিকা সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য।

উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কক্সবাজারে জলবায়ু সহনশীল লবণ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গেইনের ‘ড্রাইভার্স অব ফুড সিস্টেমস ট্রান্সফরমেশন’ বিভাগের পোর্টফোলিও লিড মনিরুজ্জামান বিপুল বলেন, একটি সহনশীল ও টেকসই লবণ খাত গড়ে তুলতে স্থানীয় সক্ষমতা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।

এ লক্ষ্যে গেইন জলবায়ু সহনশীল উৎপাদন পদ্ধতি ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিকের পরিচালক (প্রমোশন ও এক্সটেনশন) মো. আব্দুল মতিন, এক্সটেনশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক সারওয়ার হোসেন, কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া এবং গেইনের প্রকল্প সমন্বয়কারী মেহেদী হাসান বাপ্পীসহ সংশ্লিষ্টরা।

প্রশিক্ষণে উপকূলীয় অঞ্চলের অনিয়মিত আবহাওয়া, লবণাক্ততার ওঠানামা এবং এসব কারণে উৎপাদনে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং পুষ্টিমান বজায় রাখার বিভিন্ন কার্যকর উপায় নিয়েও আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারীরা।

বিশেষ গুরুত্ব পায় আয়োডিনযুক্ত লবণের মাধ্যমে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ঘাটতি পূরণের বিষয়টি।

আয়োজকরা জানান, স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি লবণ খাতকে আরও সহনশীল ও পুষ্টি–সংবেদনশীল ব্যবস্থায় রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার, টেকসই জীবিকা নিশ্চিতকরণ এবং কার্যকর জলবায়ু অভিযোজন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে।

পাশাপাশি ‘কল’ কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নেও এটি সহায়ক হবে।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর