শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপে স্বর্ণযুগের শেষ পর্বে সময়কে হার মানাচ্ছেন মেসি

🗓 শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

👁️ ৮০ বার দেখা হয়েছে

🗓 শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

👁️ ৮০ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম :: ফুটবলে হার-জিতের গল্প প্রতি বিশ্বকাপেই থাকে। কিন্তু কিছু বিদায় আছে, যা পরাজয়ের থেকেও বেশি আবেগের। কারণ সেই বিদায় শুধু একটি দলের নয়, একটি যুগের। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) ঠিক তেমনই এক অনুভূতি ছড়িয়ে রয়েছে। একের পর এক অবিশ্বাস্য বিদায়ের সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীরা বুঝতে পারছেন, বহু বছরের পরিচিত একটি অধ্যায় ধীরে ধীরে শেষ হয়ে আসছে।

পর্তুগাল (Portugal) ছিটকে যাওয়ার সঙ্গে ক্রিস্তিয়ানো রোনাল্দোর (Cristiano Ronaldo) শেষ বিশ্বকাপের ইতি হলো চোখের জলে। নেইমারের (Neymar) জন্য শেষটা ছিল আরও যন্ত্রণার। ব্রাজ়িলের (Brazil) বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায় তাঁর আন্তর্জাতিক কেরিয়ারও। ক্রোয়েশিয়ার (Croatia) বিদায়ের সঙ্গে বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ বারের মতো দেখা গেল লুকা মদ্রিচকে (Luka Modric)।

জার্মানির (Germany) ব্যর্থতার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন ম্যানুয়েল ন্যুয়ের। মিশর (Egypt) বিদায় নেওয়ায় মোহামেদ সালাহ্‌র (Mohamed Salah) স্বপ্নও ভেঙে গিয়েছে। আর বেলজিয়ামের (Belgium) সঙ্গে বিদায় নিয়েছেন রোমেলু লুকাকুও (Romelu Lukaku)। বছরের পর বছর যাঁরা বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে পরিচিত মুখ ছিলেন, তাঁদের অনেকেই হয়তো আর কোনও দিন বিশ্বকাপের আলোয় ফিরবেন না।

একে একে শেষ হচ্ছে পরিচিত অধ্যায়

একটা সময়ে বড় টুর্নামেন্ট মানেই ছিল রোনাল্দোর গোল, মদ্রিচের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ, সালাহ্‌র গতি, ন্যুয়েরের অবিশ্বাস্য সেভ কিংবা লুকাকুর শক্তিশালী উপস্থিতি। এত দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা বিশ্ব ফুটবলের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন যে, অনেকের কাছেই মনে হয়েছিল, এঁরা যেন সব সময় থাকবেন।

কিন্তু খেলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে নির্মম সত্য হলো, সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না। বয়স বাড়ে, শরীর বদলায়, আগের মতো সব কিছু আর সম্ভব হয় না। যে খেলোয়াড়দের একটা সময়ে অজেয় মনে হতো, তাঁরাও একদিন সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হন। এ বারের বিশ্বকাপ যেন সেই সত্যিটাই আরও স্পষ্ট করে দেখিয়ে দিল।

মেসিকে ঘিরে আবেগটা অন্য রকম

এই পরিস্থিতিতে লিওনেল মেসির (Lionel Messi) উপস্থিতি আরও বেশি অর্থবহ হয়ে উঠেছে। চারপাশে যখন একের পর এক কিংবদন্তির বিদায় দেখা যাচ্ছে, তখন মেসি এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন অপ্রিতিরোধ্য রূপে। এখনও তিনি মাঠে এমন কিছু মুহূর্ত তৈরি করছেন, যা বয়সের হিসাবকে ভুল প্রমাণ করে দেয়। আর্জেন্তিনার (Argentina) ফুটবলারদের খেলাতেও সেই আবেগ স্পষ্ট। মনে হয়, তাঁরা শুধু বিশ্বকাপ জয়ের জন্য খেলছেন না, নিজেদের সবচেয়ে বড় তারকাকে একটি স্মরণীয় বিদায় উপহার দেওয়ার জন্যও লড়ছেন।

এই দৃশ্য অনেকটাই মনে করিয়ে দেয় সচিন তেন্ডুলকরের (Sachin Tendulkar) কেরিয়ারের শেষ সময়ের কথা। তখন ভারতীয় ক্রিকেটও বুঝতে পারছিল, প্রতিটি ম্যাচ ক্রমে হয়ে উঠছে একজন কিংবদন্তিকে সম্মান জানানোর শেষ সুযোগগুলোর একটি। শুধু রান নয়, গুরুত্বপূর্ণ ছিল তাঁর বিদায়ের গল্পটাকে সুন্দর করে লেখা।কিংবদন্তিদের বয়স বাড়া আমাদেরও ভাবায়

শুধু ফুটবল নয়, অন্য খেলাগুলিতেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। রজার ফেডেরার (Roger Federer) বিদায় নিয়েছেন, রাফায়েল নাদালও (Rafael Nadal) কেরিয়ারের শেষ অধ্যায়ে পৌঁছে গিয়েছেন। নোভাক জকোভিচ (Novak Djokovic) এখনও খেলছেন, কিন্তু তাঁর প্রতিটি টুর্নামেন্টের সঙ্গে এখন একটি প্রশ্ন জড়িয়ে থাকে — আর কতদিন? ক্রিকেটে বিরাট কোহলিও (Virat Kohli) এখন অভিজ্ঞদের সারিতে। সময় ধীরে ধীরে সব মহাতারকাকেই একই জায়গায় নিয়ে আসে।

তাই মদ্রিচকে আগের মতো ছুটতে না দেখা, রোনাল্দোকে হতাশ হতে দেখা কিংবা সালাহ্‌র অপূর্ণ স্বপ্নের সমাপ্তি শুধু ফুটবলের গল্প নয়। এগুলো আমাদের নিজেদেরও সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। কারণ এই তারকারা শুধু খেলোয়াড় নন, আমাদের জীবনের বিভিন্ন সময়ের স্মৃতির অংশ।

শুধু বিদায় নয়, একটি যুগের শেষ হওয়ার অনুভূতি

সচিন তেন্ডুলকরের শতরান, রজার ফেডেরারের উইম্বলডনের জাদু, রাফায়েল নাদালের লড়াই, রোনাল্দোর আকাশছোঁয়া লাফ কিংবা মেসির বিশ্বকাপ জয় — এ সব মুহূর্তের সঙ্গে জড়িয়ে আছে কোটি কোটি মানুষের আবেগ। তাঁদের কেরিয়ার আমাদের বড় হয়ে ওঠার গল্পের সঙ্গেও জড়িয়ে গিয়েছে। তাই যখন তাঁরা ধীরে ধীরে মঞ্চ ছাড়েন, তখন শুধু একজন খেলোয়াড়ের বিদায় নয়, আমাদের জীবনের একটি অধ্যায় যেন শেষ হয়ে যায়।

হয়তো এ কারণেই এ বারের বিশ্বকাপের আবহটা অন্য রকম। নতুন প্রজন্ম উঠে আসছে, নতুন নায়ক তৈরি হচ্ছে। কিন্তু সেই সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে উঠছে আরও একটি সত্য— একটি যুগ ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে।

পুরোনো সেই মহাতারকাদের মধ্যে এখনও মেসি আছেন। এখনও তিনি লড়ছেন, এখনও স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। কিন্তু তাঁর উপস্থিতিও যেন মনে করিয়ে দেয়, শেষ বাঁশি খুব দূরে নয়। হয়তো এটাই শেষ বারের মতো আলোয় দাঁড়িয়ে থাকার চেষ্টা। শেষ বারের মতো সময়কে হার মানানোর লড়াই। কারণ আলো এখনও জ্বলছে, কিন্তু তার উজ্জ্বলতা কি ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছে?

কিংবদন্তিদের বয়স বাড়া আমাদেরও ভাবায়

শুধু ফুটবল নয়, অন্য খেলাগুলিতেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। রজার ফেডেরার (Roger Federer) বিদায় নিয়েছেন, রাফায়েল নাদালও (Rafael Nadal) কেরিয়ারের শেষ অধ্যায়ে পৌঁছে গিয়েছেন। নোভাক জকোভিচ (Novak Djokovic) এখনও খেলছেন, কিন্তু তাঁর প্রতিটি টুর্নামেন্টের সঙ্গে এখন একটি প্রশ্ন জড়িয়ে থাকে — আর কতদিন? ক্রিকেটে বিরাট কোহলিও (Virat Kohli) এখন অভিজ্ঞদের সারিতে। সময় ধীরে ধীরে সব মহাতারকাকেই একই জায়গায় নিয়ে আসে।

তাই মদ্রিচকে আগের মতো ছুটতে না দেখা, রোনাল্দোকে হতাশ হতে দেখা কিংবা সালাহ্‌র অপূর্ণ স্বপ্নের সমাপ্তি শুধু ফুটবলের গল্প নয়। এগুলো আমাদের নিজেদেরও সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। কারণ এই তারকারা শুধু খেলোয়াড় নন, আমাদের জীবনের বিভিন্ন সময়ের স্মৃতির অংশ।

শুধু বিদায় নয়, একটি যুগের শেষ হওয়ার অনুভূতি

সচিন তেন্ডুলকরের শতরান, রজার ফেডেরারের উইম্বলডনের জাদু, রাফায়েল নাদালের লড়াই, রোনাল্দোর আকাশছোঁয়া লাফ কিংবা মেসির বিশ্বকাপ জয় — এ সব মুহূর্তের সঙ্গে জড়িয়ে আছে কোটি কোটি মানুষের আবেগ। তাঁদের কেরিয়ার আমাদের বড় হয়ে ওঠার গল্পের সঙ্গেও জড়িয়ে গিয়েছে। তাই যখন তাঁরা ধীরে ধীরে মঞ্চ ছাড়েন, তখন শুধু একজন খেলোয়াড়ের বিদায় নয়, আমাদের জীবনের একটি অধ্যায় যেন শেষ হয়ে যায়।

হয়তো এ কারণেই এ বারের বিশ্বকাপের আবহটা অন্য রকম। নতুন প্রজন্ম উঠে আসছে, নতুন নায়ক তৈরি হচ্ছে। কিন্তু সেই সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে উঠছে আরও একটি সত্য— একটি যুগ ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে।

পুরোনো সেই মহাতারকাদের মধ্যে এখনও মেসি আছেন। এখনও তিনি লড়ছেন, এখনও স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। কিন্তু তাঁর উপস্থিতিও যেন মনে করিয়ে দেয়, শেষ বাঁশি খুব দূরে নয়। হয়তো এটাই শেষ বারের মতো আলোয় দাঁড়িয়ে থাকার চেষ্টা। শেষ বারের মতো সময়কে হার মানানোর লড়াই। কারণ আলো এখনও জ্বলছে, কিন্তু তার উজ্জ্বলতা কি ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছে?

এই বিভাগ এর আরো খবর

কৃষিপণ্যে বছরে ক্ষতি ২৯ হাজার কোটি

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

ডাইনোসরের বিলুপ্ত হয়েছিল যেভাবে

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর