কক্সবাংলা ডটকম :: বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালের মতো মঞ্চ। ৮৫ মিনিট পর্যন্ত এক গোলে পিছিয়ে। লিওনেল মেসির লাস্ট ড্যান্স-এ কি অধরা থেকে যাবে সাফল্য?
এই নিয়ে যখন চিন্তা বাড়ছিল ফুটবলপ্রেমীদের, তখনই আরও একবার দুরন্ত কামব্যাক আর্জেন্তিনার।
মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে এনজ়ো ফার্নান্দেজ় ও লাউতারো মার্তিনেজ়ের গোলে ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে আর্জেন্তিনা। কেরিয়ারে এই প্রথম ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন মেসি।
প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত করলেন। আর সেই জয় উৎসর্গ করলেন কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো মারাদোনাকে।
জানালেন, মারাদোনার জন্য এটা একটা উপহার ছিল আর্জেন্তিনা দলের পক্ষ থেকে।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের শেষে TyC Sports-এর এক সাংবাদিক মেসির হাতে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্তিনার ঐতিহাসিক জার্সি তুলে দেন।
ওই সাংবাদিক বলেন, মেসির ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকা উচিত এই জার্সি। এই মুহূর্ত ফুটবলপ্রেমীদের ফিরিয়ে দেয় ৪০ বছর আগের স্মৃতি।
১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে মারাদোনার দাপটে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় জয় পেয়েছিল আর্জেন্তিনা।
একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজের দেশকে আরও একটি ঐতিহাসিক জয় এনে দিলেন মেসি।
আজকের জয় দিয়েগোর জন্য উপহার’: লিওনেল মেসি
বিশেষ জার্সি পেয়ে মারাদোনাকে আবেগঘন শ্রদ্ধা জানালেন মেসি। তাঁর কথায়, এই জয় মারাদোনার জন্য এক বিশেষ উপহার।
আর্জেন্তিনার অধিনায়ক বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, দিয়েগো উপর থেকে এই জয় উপভোগ করছেন। আজকের দিনটা ওঁর কাছেও খুবই বিশেষ হতো।
ওঁকে এই আনন্দ দিতে পেরে আমরা খুশি। দিয়েগো যদি এই ম্যাচ দেখে থাকেন, তা হলে এই জয় ওঁর জন্য আমাদের পক্ষ থেকে একটি উপহার।’
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ বরাবরই স্পেশ্যাল আর্জেন্তিনার কাছে। দুই দল মুখোমুখি হলেই ফিরে আসে ১৯৮৬ সালের ঐতিহাসিক ম্যাচের স্মৃতি।
তাই ম্যাচের শেষে নিজের দু’টি অ্যাসিস্ট বা আর্জেন্তিনার কামব্যাকের চেয়েও মেসি স্মৃতিচারণায় মাতেন মারাদোনার। এ বার বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি আর্জেন্তিনা।
১৯৬২ সালে ব্রাজ়িলের পরে প্রথম দল হিসেবে টানা দু’বার বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়ার মুখে লিওনেল স্কালোনির দল।














