কক্সবাংলা ডটকম(৩০ জুন) :: নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আশরাফ হাকিমিদের ম্যাচ যে ধুন্ধুমার পর্যায়ে পৌঁছবে, ফুটবলপ্রেমীদের হাড্ডাহাড্ডি খেলা উপহার দেবে-এমনটাই প্রত্যাশা ছিল।
মেক্সিকোর স্টেডিয়ামে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে দুই দলই সমানে সমানে টক্কর দিল।
গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে ফুটবল দুনিয়ায় হইচই ফেলে দিয়েছিল মরক্কো।
জমাট রক্ষণ করে সুযোগ বুঝে প্রতি আক্রমণ-এই ফর্মুলায় একের পর এক হেভিওয়েট প্রতিপক্ষের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দল। চলতি বিশ্বকাপেও ব্রাজিলকে ধাক্কা দিয়েছিল মরক্কো।
ফলে নেদারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আশরাফ হাকিমিদের ম্যাচ যে ধুন্ধুমার পর্যায়ে পৌঁছবে, ফুটবলপ্রেমীদের হাড্ডাহাড্ডি খেলা উপহার দেবে-এমনটাই প্রত্যাশা ছিল।
মেক্সিকোর স্টেডিয়ামে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে দুই দলই সমানে সমানে টক্কর দিল।

ম্যাচের অধিকাংশ সময়টা ছিল মরক্কোর দখলেই। বল পজেশন, নিখুঁত পাস, গোল লক্ষ্য করে শট-সবেতেই এগিয়ে আফ্রিকান দেশটি। ফরোয়ার্ডদের জন্য।
শুরুর ১৫ মিনিটের পর থেকে ডাচ বাহিনীকে সেভাবে খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু ফুটবলে শেষ কথা বলে গোল। মঙ্গলবার সকালে এই একটা জায়গাতেই বারবার আটকে গেল মরক্কো।
একেবারে সাজিয়ে দেওয়া বলেও পা ছোঁয়াতে পারলেন না ইসমাইল সাইবারি। একবার নয়, অন্তত তিনটে সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করলেন মরোক্কান স্ট্রাইকার। সেটা না হলে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যেতে পারতেন হাকিমিরা।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের ছবিটা একই রকম। মাঝমাঠ থেকে একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেন ব্রাহিম দিয়াজরা। কিন্তু সেই সুযোগগুলোকে কিছুতেই গোলে পরিণত করা গেল না।
ফলে খানিকটা হতাশ হয়ে পড়া মরক্কোকে পালটা দিতে শুরু করে নেদারল্যান্ডস। ৬৫ মিনিটের পর থেকে ধারাবাহিক ভাবে চলতে থাকে ডাচ আক্রমণ।
গোটা ম্যাচ সেভাবে নজর কাড়তে না পারলেও নেদারল্যান্ডসের উদ্ধারকর্তা হয়ে উঠলেন কোডি গাকপো। এই ম্যাচের আগেই অনাগত সন্তানকে হারিয়েছেন। কিন্তু সেই শোক ভুলে ৭২ মিনিটে গোল।
ডাচভক্তরা তখন ধরেই নিয়েছেন, পরের রাউন্ডে যাচ্ছে দল। কিন্তু ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিল মরক্কো কোচের মগজাস্ত্র। ৮৮ মিনিটে এসে তালবিকে নামালেন।
ঠিক তিন মিনিটের মাথায় গোল, নেপথ্যে তালবিই। ম্যাচ গড়াল একস্ট্রা টাইমে। সেখানেও সুযোগ নষ্টের ধারা বজায় রাখল মরক্কো। পেনাল্টি শুটআউটে গেল হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ।














