মঙ্গলবার ৩০ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উখিয়ার বিস্তীর্ন বনভূমিতে অবৈধ স্থাপনা : অস্তিত্বের সংকটে বনাঞ্চল,নিশ্চুপ বন বিভাগ

🗓 মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

👁️ ২৫ বার দেখা হয়েছে

🗓 মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

👁️ ২৫ বার দেখা হয়েছে

রতন কান্তি দে,উখিয়া :: কক্সবাজারের উখিয়ার বিভিন্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চল, সামাজিক বনায়ন অধ্যুষিত এলাকা ও পাহাড়ি ভূমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, পাহাড় কাটা,বৃক্ষ নিধন এবং বনভূমি জবর দখলের মহোৎসব চলছে।এতে বনভূমি হরিলুটের অভিযোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট বন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে সরকারি বনভূমি দখল করে বিলাসবহুল বাড়ি, বহুতল ভবন, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও খামার নির্মাণ করে চলেছে অপরদিকে কুম্ভকর্ণের
ভূমিকায় বনবিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, উখিয়া সদর,ওয়ালাপালং,দোছড়ি ভালুকিয়া, রত্নাপালং, কুতুপালং, শৈলেরডেবা, দরগাহ বিল, মধুরছড়া, কিল্লামারা পালংখালী,থাইংখালী,তেলখোলা মুছার খোলা হলদিয়া পালং এলাকার বনভূমিতে গত কয়েক বছরে সহস্রাধিক পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা গড়ে উঠেছে। অথচ এসব নির্মাণকাজের বড় অংশের বিরুদ্ধে বনভূমি দখল, পাহাড় কাটা এবং পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

অতি সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায় লম্বাশিয়া এলাকার মৃত ছৈয়দুর রহমানের পুত্র মো. সালাম বনাঞ্চলের ভিতরে এলাকায় দ্বিতল বিশিষ্ট অত্যাধুনিক বিলাসবহুল বাড়ি, পাকা সীমানা প্রাচীর এবং বিশাল এলাকা জুড়ে আধুনিক ডেইরি ফার্ম নির্মাণ করেছেন।যা দেখলে পিলে চমকানোর মতো দৃশ্য।

এসময় মোঃ সালাম অকপটে স্বীকার করে বলেন আমার বাড়ি,সীমানা প্রাচীর,ডেইরী খামার সব কিছু বনভূমিতে এখানে জোত ও খাস জমি নেই। এসব স্থাপনা বনবিভাগ কে ম্যানেজের মাধ্যমে নীরবে গড়ে তোলা হয়।বাড়ির ফাউন্ডেশন দেওয়ার সময় বন বিভাগ একটি মামলা দেয়।পরে আর কোন ঝামেলা করেননি কাজ চালিয়ে যেতে বলেন।

একই এলাকায় মৃত মোঃ কালুর পুত্র আলী আহমদের বিরুদ্ধে কুতুপালং এপিবিএন পুলিশ চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় পাহাড় কেটে মাটি ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে তিনি তার জোত জমিতে মাঠি ভরাট করছেন বলে দাবী করেন।

স্থানীয়দের দাবি, কুতুপালং স্টেশনের পূর্ব ও পশ্চিম পাশে হামিদুল হক, মাহমুদুল হক ও শাহজাহান গং প্রায় অর্ধশতাধিক পাকা ও আধাপাকা দোকানঘর নির্মাণ করেছেন। একই এলাকার আবু তাহেরের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া নিজস্ব ভূমিতে বাসভবনে করার মতো আনন্দ মনে শৈলেরডেবা এলাকায় ফজল করিমের ছেলে নুরুল আমিন, দরগাহ বিল গ্রামের ঠান্ডা মিয়ার মেয়ে ইয়াসমিন আক্তার,বহুতল ভবন নির্মান এবং পূর্ব দরগাহ বিল গ্রামের সিরাজ মিয়া ও সাহাব উদ্দিন পৃথকভাবে একাধিক সেমিপাকা ও বহুতল ধাঁচের ভবন নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

একের পর এক বিস্ময়কর দৃশ্য হলো শৈলের ডেবা গ্রামের কালিধন বড়ুয়ার পুত্র ডা. সুরেশ বড়ুয়া, কিল্লামারা বাগানপাড়ার জয়নাল, দুলাল, মধুরছড়া বড়ইতলির বাদশা মিয়া রোহিঙ্গাদের ফুট হিসেবে বনের জমি বিক্রি ও বিদেশি ডিজাইনে আলিশান প্রাসাদ নির্মাণ কাজ শুরু করেন।

অপরদিকে স্বচক্ষে না দেখলে বোঝার উপায় নেই যে, কুতুপালং পিএফ পাড়া এলাকার কেড়ু বড়ুয়া, কথিত ইয়াবা কারবারি হিসেবে পরিচিত মামুন, কুতুপালং দক্ষিণ স্টেশন কাঁচাবাজার এলাকার মাহমুদুল হক এবং শৈলেরডেবা এলাকার পুলিন বড়ুয়া, রত্নাপালংয়ের তেলী পাড়ার বাসিন্দা ফারজান মিয়া, নুর সালাম কিভাবে বনভূমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের মধ্য দিয়ে বনের জমি গ্রাস করেছে ।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান অধিকাংশ নির্মাণকাজ গোপনে করা হচ্ছে। অনেক স্থাপনার চারিদিকে কালো ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখে যাতে দূর থেকে বোঝা না যায়। বিশেষ করে রাতের বেলায় রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে দ্রুতগতিতে কাজ করানো হয়।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে বনভূমি এবং বনাঞ্চলের ভেতরে কী ঘটছে তা সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে রাখতে পরিকল্পিতভাবে এসব চোখে ধুলো দেওয়া মতো নানা কৌশলী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে,বনভূমিতে এসব স্থাপনা নির্মাণ এবং পাহাড় নিধনের অন্তরালে সহায়তাকারীর মূল নাটের গুরুর তথা রাবনের ভূমিকায় রয়েছেন এবং এক্ষেত্রে স্থানীয়দের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উখিয়া রেঞ্জের সদর বিট কর্মকর্তা আবদুল মান্নান।

তথ্য মতে তিনি বান্দরবান থেকে বদলি হয়ে উখিয়ায় যোগদানের পর তিনি প্রথমে ভালুকিয়া বিটের দায়িত্ব পান। এরপর থেকেই ভালুকিয়া এলাকায় বনভূমিতে স্থাপনা নির্মাণ ও পাহাড় কাটার হিড়িক পড়ে যা এখনো থামছে না।

পরে রেঞ্জ কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকালে বনভূমি দখল,পাহাড় কর্তন,অবৈধ নির্মাণ কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পায় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

সংবাদে উল্লেখিত তথ্যে বনভূমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের মধ্যে কয়েক জন নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদক কে বলেন দালাল সিণ্ডিকেটের মধ্যস্হতায় বীট অফিসার আব্দুল মান্নানকে মোটা অংকের নজরানা দিয়েই স্থাপনার কাজ শুরু করেন।তারা আরও জানান আমাদের কথা জানতে পারলে তিনি আবার বকরাও নিবেন মামলা ও টুকে দিবেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, বনভূমিতে স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রতিটি বাড়ি থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায়ের একটি অলিখিত ঘুষ বাণিজ্য প্রথা চালু রয়েছে। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কারীদের ভাষ্যমতে, বনবিভাগে অর্থ লেনদেন ছাড়া কেউ স্থাপনা নির্মাণ করা দূরহ ব্যাপার।

বনভূমিতে স্থাপনা নির্মাণে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তির সাথে আলাপচারিতায় তারা প্রকাশ্যে সরল ভাবে বলেন যে, বীট অফিসার ও স্টাফদেরসহ সংশ্লিষ্টদের নজরানা দিয়ে ‘ম্যানেজ’ করেই নানা প্রকারের স্হাপনা দিব্যি করছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েকজন নির্মাণকারী স্থানীয়দের কাছে দাবি করেছেন যে বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তাকে অর্থ প্রদানের মাধ্যমেই তারা পাহাড় কাটা, জমি ভরাট এবং বাড়িঘর নির্মাণের কাজ করছেন দেদারসে । এমনকি কোনো তদারকি দল, সাংবাদিক বা অনুসন্ধানকারী কেউ গেলে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে তারা জানান ।

গরিবের জন্য আইন এক, প্রভাবশালীদের জন্য আরেক?স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো দরিদ্র ব্যক্তি বনাঞ্চলে সামান্য ইটের দেয়াল তুলতে গেলেও তাৎক্ষণিক মামলা কিংবা উচ্ছেদ অভিযানের মুখোমুখি হন। অথচ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বহুতল ভবন, মার্কেট বা বাণিজ্যিক স্থাপনার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা দেখা যায় না।

তাদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে মামলা দায়ের করা হলেও তা কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকে। আদালতে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য সামান্য কিছু অংশে প্রতীকী ব্যবস্থা নেওয়া হলেও পরবর্তীতে নির্মাণকাজ আবার চলতে থাকে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু কথিত হেডম্যান, ভিলেজার ও স্থানীয় দালাল পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। তারা নির্মাণকারী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যোগাযোগ, অর্থ লেনদেন এবং অন্যান্য বিষয় সমন্বয় করে থাকে।স্থানীয়দের ভাষ্য, বনভূমি দখল ও স্থাপনা নির্মাণের পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে।

অন্যদিকে, স্থানীয়দের অভিযোগ, রত্নাপালং ইউনিয়নের তেলীপাড়া এলাকায় বন বিভাগের জমি প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বণ্টনের ঘটনা ঘটলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা আবদুল মান্নান কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি বনভূমি ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মাধ্যমে নিলাম দেওয়ার কোনো আইনগত সুযোগ নেই। তারপরও প্রকাশ্যে এমন কর্মকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পরও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নজরের বাইরে থাকার সুযোগ নেই। ফলে বনভূমি দখল, বিক্রি ও কথিত নিলাম কার্যক্রমের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত দাবি করেছেন তারা। অভিযোগকারীদের মতে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মান্নানের ভূমিকা ও দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

পরিবেশবিদদের মতে, উখিয়ার পাহাড় ও বনভূমি এমনিতেই রোহিঙ্গা সংকট, বন উজাড় ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চাপে রয়েছে। এর মধ্যে অবৈধ দখল, পাহাড় কাটা ও স্থাপনা নির্মাণ চলতে থাকলে জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী এবং পরিবেশের ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড় কাটা ও বন উজাড় অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ভূমিধস, জলাবদ্ধতা এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ের ঝুঁকি আরও বাড়বে।চলমান বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টি হলে পাহাড় ধ্বসে প্রান হানির
আশংকা রয়েছে প্রবল ভাবে। গত বছর ও তিন জনের পাহাড়ের মাটি চাপায় অনাকাঙ্খিত মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সচেতন মহল, পরিবেশবাদী সংগঠন ও এলাকাবাসী উখিয়ার বনভূমিতে গড়ে ওঠা সব স্থাপনার তালিকা প্রকাশ, নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের উৎস যাচাই এবং অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।তারা এ ব্যাপারে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, প্রধান বন সংরক্ষক, চট্টগ্রাম বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সংশ্লিষ্ট আদালতের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে উখিয়া সদর বীট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সমূহ অস্বীকার করে বলেন মূলত জনবল সংকটের কারণে বনভূমিতে অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণ ঠেকানো যাচ্ছে না।স্হানীয় একটি দালাল সিণ্ডিকেট বনভূমির নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কারীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায় করছে। তথ্য পাওয়ার পর এসব দূর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ও স্থাপনা উচ্ছেদের প্রস্তাব পাঠানো হয়।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ও এসিএফ শাহিনুর রহমানের কাছ থেকে উল্লেখিত গুরুতর অভিযোগ সমূহের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন উখিয়া রেঞ্জের সর্বত্র বিশেষ করে ওয়ালা ও সদর বীটের স্হানীয়দের মধ্যে বনভূমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও পাহাড় নিধনের প্রবনতা বেশী তবে আমি যখনই জবরদখল স্থাপনা নির্মাণের খবর ও তথ্য পাই তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ এবং বন আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।অনেক স্থাপনা আদালতের নির্দেশেই উচ্ছেদ করতে হয়।ফলে অনেক সময় এক্ষেত্রে আমাদের করার কিছু থাকে না।

তিনি তার রেঞ্জের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারী এসবের সাথে জড়িত এবং একটি বনভূমি খেকো সিণ্ডিকেট উক্ত অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহযোগিতায় বনভূমি ধ্বংস করছে বলে স্বীকার করে বলেন সর্বঅঙ্গে ব্যথা ওষুধ দিব কোথা?তিনি তাঁর দায়িত্বকালীন সময় ধরে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন বনভূমি রক্ষায় সবধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বনের জমির দুর্বৃত্তায়ন ঠেকানোর জন্য। এছাড়া উল্লেখিত অবৈধ স্থাপনার তথ্য গুলো তদন্ত পূর্বক কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করবেন বলে জানান।

এই বিভাগ এর আরো খবর

লাভ কমায় কমতে পারে চাল উৎপাদন

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর