দীপন বিশ্বাস,উখিয়া :: কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজনকে আটক করেছে ৬৪ বিজিবির পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটের দিকে সীমান্তবর্তী আনজুমানপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটকরা হলেন—উখিয়া উপজেলার আনজুমানপাড়া গ্রামের মৃত বশির আহমেদের ছেলে মো. নুর ইসলাম (২৫) এবং এফডিএমএন ক্যাম্প-১৫-এর ব্লক-এ/৭-এর বাসিন্দা মৃত হাচানের ছেলে মো. হারেস (২০)।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটের দিকে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী আনজুমানপাড়া পানির পয়েন্টের উত্তর পাশে বাবুলের ঘেরের দক্ষিণ পাশের বেড়ির ওপর অবস্থান নেয়।
এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে দুই ব্যক্তিকে ব্যাগ হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে টহল দলের সদস্যদের সন্দেহ হয়।
পরে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া করে নুর ইসলাম ও হারেসকে আটক করা হয়।
তাদের হাতে থাকা পলিব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ১৪টি কার্টন থেকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানায়, মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে তারা সেগুলো বহন করছিল।
৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, সীমান্তে মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।













