সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেরে উঠছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ওজ়োন স্তর!

🗓 সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

👁️ ৪ বার দেখা হয়েছে

🗓 সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

👁️ ৪ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(২১ সেপ্টেম্বর) :: প্রথম বার ধরা পড়ে আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে। জানা যায়, ফুটো হয়ে গিয়েছে বায়ুমণ্ডলের ওজ়োন স্তর। যা ঘুম উড়িয়ে দেয় গোটা পৃথিবীর। এত বছর পেরিয়েও সেই ‘রোগ’ থেকে কাটিয়ে ওঠেনি ওজ়োন স্তর। ছিদ্র রয়ে গিয়েছে এখনও।

তবে সাম্প্রতিক কিছু তথ্য নতুন করে আশা জাগাচ্ছে বিজ্ঞানী এবং পরিবেশবিদদের। সেরে উঠতে শুরু করেছে ওজ়োন স্তর। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)-র সাম্প্রতিক রিপোর্টে এমনটাই আভাস মিলেছে।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মূল ওজ়োন ছিদ্রটি রয়েছে আন্টার্কটিকা বা দক্ষিণ মেরুর উপরে। এ ছাড়া উত্তর মেরুর উপরেও মাঝেমাঝে ওজ়োন স্তরে ছিদ্র তৈরি হয়।

তবে তা দক্ষিণ মেরুর মতো বড় কোনও ছিদ্র নয়। স্থায়ীও নয়। পরিবেশবিদদের মূল চিন্তা আন্টার্কটিকার উপরে তৈরি হওয়া ওজ়োন ছিদ্র নিয়েই।

তবে স্বস্তির বিষয়, গত বছরে (২০২৫ সালে) আন্টার্কটিক ওজ়োন ছিদ্রের গভীরতা এবং সার্বিক বিস্তার ছিল ১৯৯০-২০১০ সালের গড় মানের তুলনায় উল্লেখযোগ্য ভাবে কম।

গত সপ্তাহে ডব্লিউএমও ওজ়োন বুলেটিন প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ১৯৯০-২০১০ সালে ওজ়োন ভরের গড় ঘাটতি ছিল ৫ কোটি টনেরও বেশি। তবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বায়ুমণ্ডলে ওজ়োন ভরের ঘাটতি ছিল ৩ কোটি ৬৭ লক্ষ টন। যা ১৯৯০-২০১০ সালের গড়ের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ কম।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, গত বছর আন্টার্কটিক ওজ়োন ছিদ্রের যা মাপ ছিল, তা ১৯৯২ সাল থেকে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে ছোট মাপগুলির মধ্যে চতুর্থ বা পঞ্চম।

এই নিয়ে পর পর দু’বছর ওজ়োন স্তরের ছিদ্রের আকার ১৯৯০-২০১০ সালের গড় মানের চেয়ে ছোট আকারে দেখা গেল। যা থেকে বিজ্ঞানীদের অনুমান, ওজ়োন স্তরের ক্ষয় দিন দিন সেরে উঠছে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব সেলেস্তে সাওলো এটিকে পরিবেশগত সাফল্যের একটি সার্বিক চিত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। তিনি বলেন, “ওজ়োন স্তরের ক্ষত মেরামতের জন্য ২০০০ সাল থেকে চেষ্টা চলছে। আগামী কয়েক দশকের মধ্যে এটি সম্পূর্ণ মেরামত করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করি।”

ওজ়োন স্তর হল পৃথিবীর বর্মের মতো। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার উঁচুতে বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে আছে এই ওজ়োনের স্তর।

সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে এটি পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রাখে। এই অতিবেগুনি রশ্মি চোখে ঢুকলে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি, চামড়ায় লাগলে হয় ক্যানসারের মতো রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কিন্তু সাতের দশকের শেষ থেকেই ফাটল ধরে ওজ়োনের স্তরে। এর জন্য দায়ী করা হয় মাত্রাতিরিক্ত দূষণের জেরে ক্রমশ বাড়তে থাকা উষ্ণায়নকে।

দীর্ঘদিন ধরে মানুষের তৈরি নানা ধরনের রাসায়নিক ও গ্যাসের প্রভাবে ছিদ্র হচ্ছিল পৃথিবীর বর্মে। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে এই প্রথম নজরে আসে বিজ্ঞানীদের। গবেষণায় জানা যায়, ওজ়োন স্তরের এই বেহাল অবস্থার জন্য দায়ী ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (সিএফসি) নামের যৌগ। এর পরেই ১৯৮৭ সালে গোটা বিশ্ব একসঙ্গে মন্ট্রিল চুক্তি সই করে।

যার মূল লক্ষ্য ছিল ক্লোরোফ্লুরোকার্বন এবং ওজ়োন স্তরে ছিদ্রের জন্য দায়ী অন্য গ্যাসগুলির উৎপাদন ও ব্যবহার কমিয়ে আনা বা বন্ধ করা। পর পর দু’বছরের পর হিসেবকে মন্ট্রিল চুক্তির সাফল্য হিসেবেই ব্যাখ্যা করছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।

এই বিভাগ এর আরো খবর

হঠাৎ কেন বাড়ানো হলো জ্বালানি তেলের দাম

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সহজ শিকার শিশুরা

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর শেষনিশ্বাস ত্যাগ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

হঠাৎ কেন বাড়ানো হলো জ্বালানি তেলের দাম

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সহজ শিকার শিশুরা

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর শেষনিশ্বাস ত্যাগ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এই বিভাগের আরো খবর

হঠাৎ কেন বাড়ানো হলো জ্বালানি তেলের দাম

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সহজ শিকার শিশুরা

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর শেষনিশ্বাস ত্যাগ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬