নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া :: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় লবণ মাঠে দফায় দফায় পলিথিন কেটে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।
এতে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। ১২ ও ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুনঘোনা এলাকার বাসিন্দা রেহেনা বেগম ও তার প্রতিবেশী শওকত আলীর মধ্যে লবণ মাঠের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে এবং থানা-আদালতে মামলা-মোকদ্দমা চলমান রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পূর্ব বিরোধের জেরে গত রবিবার গভীর রাতে শওকত আলীর লোকজন রেহেনা বেগমের প্রায় ১৪ শতক লবণ মাঠের পলিথিন কেটে নষ্ট করে দেয়।
পরদিন সোমবার রাতেও একই কায়দায় রেহেনার বড় ভাই রেজাউল করিমের প্রায় ৬০ শতক জমির পলিথিন কেটে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী রেজাউল করিম বলেন, আমার বোনের সঙ্গে শওকত আলীর জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করা হচ্ছে। জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এর প্রতিবাদ করায় আমাদের লক্ষ্য করে এ ধরনের তাণ্ডব চালানো হচ্ছে। শওকত আলী, তার ভাই মুহাম্মদ কালু, আখতার, জাকের হোসেন এ ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত।
তিনি আরও বলেন, লবণ চাষই আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস। পলিথিন কেটে দেওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর আগেও কয়েক দফা একই ঘটনা ঘটেছে, এতে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।
রেহেনা বেগম বলেন, দীর্ঘদিনের খরিদা জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু জায়গা থেকে শওকত আলী গং আমাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে।
লবণ মাঠে টংঘর করে পাহারা দিলেও পলিথিন রক্ষা করা যাচ্ছে না। বাধা দিতে গেলে অস্ত্রের ভয় দেখানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, চলমান বিরোধের জেরে যেকোনো সময় বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













