নিহত সেলিম বাবুর মামা লিটন জানান, র্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিএমখালীর তুতুকখালি এলাকার মোস্তাকের বসতঘরে অভিযান চালিয়ে পলাতক আতাউল্লাহকে আটক করে।
পরে তাকে র্যাবের হেফাজতে নেওয়া হয়।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত, ১৬ এপ্রিল বুধবার গভীর রাতে ইসলামপুরের মধ্যম নাপিতখালীর সোলাইমান ড্রাইভারের ছেলে ফয়সাল মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী ওরফে সেলিম বাবুকে মাছ চুরির অভিযোগে ঘর থেকে তুলে নেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদের নেতৃত্বে তার সাঙ্গপাঙ্গরা রাতভর অমানবিক নির্যাতন চালায়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দীর্ঘ ১১ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ এপ্রিল মারা যান সেলিম বাবু।
এ ঘটনায় নিহতের মা দিলদার বেগম বাদী হয়ে ঈদগাঁও থানায় নুর মোহাম্মদকে প্রধান আসামি এবং তার ছেলে আতাউল্লাহকে ২ নম্বর আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।














