মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া :: কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৃথক দুই বসতঘরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
এসময় ডাকাতদল পবিারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২৫ মে) ভোর রাতে চকরিয়া উপজেলার ইসলামনগর ও পৌরসভার বাটাখালী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সোমবার ভোর রাতের দিকে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ইসলামনগরস্থ হাবিবুর রহমনা বেদারের বাড়িতে ৭-৮ জনের একদল স্বশস্ত্র ডাকাত হানা দেয়।
ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এদিন, একই সময়ে চকরিয়া পৌরশহরের বাটাখালীস্থ চেয়ারম্যান দিদারুর হক সিকদারের বাড়িতে হানা দেয় ডাকাত দল।
ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল নিয়ে যায়।
ডাকাতির শিকার হাবিবুর রহমান বেদার বলেন, রাতে বাড়িতে মেহমান আসছিলো। ওরা যাওয়ার পরে বাড়ির বারান্দায় বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম।
এসময় মুখোশ পরিহিত কয়েকজন ডাকাত স্বশস্ত্র বাড়িতে ডুকে সবার মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। এরপর আমার স্ত্রীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেয়।
তিনি আরও বলেন, যাওয়ার সময় আমাদের সবাইকে বাড়ির ভিতরে আটকে রেখে বাইর থেকে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়।
পরে আমাদের চিৎকার-চেচামেচিতে স্থানীয় লোকজন এসে দরজা খুলে দেয়। ততক্ষণে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পুলিশকে জানানোর পর পুলিশ এসে পরিদর্শন করে চলে যান।
ডাকাতের শিকার হওয়া চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদারের স্ত্রী জানান, আমার স্বামী ৩-৪ মাস ধরে জেলে। বাড়িতে আমি ও সন্তানরা একা থাকি। সোমবার ভোর রাতে একদল ডাকাত বাড়িতে হানা দেয়।
ওরা বাড়ির দরজা ভেঙ্গে ঘরে ডুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাড়িতে থাকা নগদ টাকা , স্বর্ণালংকার ও মোবাইল নিয়ে যায়। একই সময়ে দুই বাড়িতে ডাকাতির হানার ঘটনায় এলাকায় আতংক বিরাজ করছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনির হোসেন বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এটা কি ডাকাতি নাকি অন্য কোন বিষয় তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলেও জানা তিনি।













