সোমবার ৫ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদে স্থায়ী গবেষণা ঘাঁটি ও পরমাণু চুল্লি বসানোর প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া

🗓 সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

👁️ ১১ বার দেখা হয়েছে

🗓 সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

👁️ ১১ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম :: চাঁদে স্থায়ী গবেষণা ঘাঁটি তৈরি এবং ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযানের অবিরাম শক্তি যোগাতে পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনের প্রতিযোগিতায় নেমেছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া।

সৌরশক্তির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে চন্দ্রপৃষ্ঠের দীর্ঘ ও অন্ধকার রাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে একটি পরমাণু চুল্লি পাঠাতে কাজ শুরু করেছে।

অন্যদিকে, ২০৩৬ সালের মধ্যে যৌথভাবে ‘সেলেনা’ নামের একটি পারমাণবিক চুল্লি তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে রাশিয়া ও চীন।

তবে মহাকাশে পরমাণু প্রযুক্তির এমন ব্যবহারে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ঝুঁকির আশঙ্কাও ব্যক্ত করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মহাকাশ বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে চাঁদে স্থায়ী বৈজ্ঞানিক ঘাঁটি স্থাপন, প্রাকৃতিকসম্পদের সন্ধান ও গভীর মহাকাশে অভিযান পরিচালনার জন্য পারমাণবিক শক্তিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মার্কিন মহাকাশ গবেষণাসংস্থা নাসা গত আগস্টে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর তীব্র প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে এবং তদারকি ছাড়াই কাজ করতে সক্ষম একটি পরমাণু চুল্লির নকশা ও রূপরেখা প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছে।

২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি উৎক্ষেপণের উপযোগী করে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।

অন্যদিকে, চীনের সঙ্গে যৌথ অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ২০৩৬ সালের মধ্যে ‘সেলেনা’ নামে একটি চন্দ্র পারমাণবিক চুল্লি তৈরির পরিকল্পনা করছে রাশিয়া।

চীনের নেতৃত্বে প্রস্তাবিত চন্দ্র গবেষণাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চাঁদে পারমাণবিক চুল্লির প্রয়োজনীয়তা

চাঁদে কোনো স্থায়ী অবকাঠামো বা গবেষণাকেন্দ্র পরিচালনার জন্য অবিরাম বিদ্যুৎপ্রবাহ অপরিহার্য। যদিও সৌর প্যানেলের মাধ্যমে সেখানে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা সম্ভব, তবে চাঁদে এক রাতেই পৃথিবীর টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পার হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় অন্ধকারাচ্ছন্ন ও মারাত্মক ঠান্ডা আবহাওয়ায় সৌরশক্তি দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। ফলে এই সংকট নিরসনে পারমাণবিক শক্তিকেই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে চাঁদে পারমাণবিক রিয়্যাক্টর স্থাপনের এই রূপরেখা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ঝুঁকি ও সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে নানা উদ্বেগও তৈরি হয়েছে।

এই বিভাগ এর আরো খবর

ঐশ্বরিয়াকে ঘিরে হঠাৎ উন্মাদনা

রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর