বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ ফাল্গুন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০২৫ সালে বিশ্বের আলোচিত ১০ ঘটনা

🗓 বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬

👁️ ১৯৫ বার দেখা হয়েছে

🗓 বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬

👁️ ১৯৫ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম :: শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্বব্যাপী ঘটনাবহুল একটি বছর ছিল ২০২৫। একের পর এক ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বমঞ্চ। রাজনীতি, অর্থনীতি, যুদ্ধ, বিজ্ঞান থেকে কূটনীতি- চলুন জেনে নেয়া যাক বছরের আলোচিত সব ঘটনা।

১. ট্রাম্পের শুল্কনীতি: বছরের শুরুতেই বৈশ্বিক আলোচনার মঞ্চ দখল করে নেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি। চিনের পণ্যের ওপর তিনি চাপান ১০০ শতাংশ শুল্ক। ভারতের ক্ষেত্রে সেই হার ছিল ৫০ শতাংশ। রাশিয়া থেকে তেল আমদানির জন্য ‘শাস্তিমূলক’ ব্যবস্থা হিসেবেই ভারতের ওপর এ শুল্ক আরোপ করা হয়। ট্রাম্পের এ কঠোর ও আক্রমণাত্মক অবস্থান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন করে উত্তেজনার সঞ্চার করে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার মধ্যে শুল্ককে কেন্দ্র করে শুরু হয় কৌশলগত টানাপোড়েন, যেন ছিল এক কোল্ড ওয়ারের ইঙ্গিত।

২. রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ: বছরজুড়ে বিশ্বের নজর ছিল রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি ঘিরে চলমান আলোচনার দিকে। টানা প্রায় তিন বছরের এ সংঘাতে প্রাণ গেছে অগণিত মানুষের, ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে শহর ও জনপদ। দফায় দফায় বৈঠক, সমঝোতার আশ্বাস এলেও স্থায়ী শান্তির পথ এখনও রুদ্ধ। সবশেষ নভেম্বরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা নিয়েও ছিল নানা আলোচনা-সমালোচনা।

কয়েক মাস লড়াই শেষে গত ২৩ ডিসেম্বর ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিভারস্ক থেকে নিজেদের সৈন্য সরিয়ে নিয়েছে ইউক্রেন। সিভারস্কের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার মধ্য দিয়ে দোনেৎস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা আরো এক ধাপ এগিয়েছে। এর ফলে ইউক্রেনের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্লোভিয়ানস্ক ও ক্রামাতোরস্ক শহরের একেবারে কাছে পৌঁছে গেছে রুশ বাহিনী। এ দুই শহরকে ইউক্রেনের শেষ শক্তিশালী ‘দুর্গ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

৩. ইসরায়েল-হামাস শান্তি চুক্তি: ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা উপত্যকা থেকে হামাস ও ফিলিস্তিনের অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর চালানো ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সংঘাতকে নতুন মাত্রা দেয়। সেই রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের পর যুদ্ধবিরতিতে নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও পরিস্থিতি ছিল চরম উত্তেজনাপূর্ণ। অবশেষে চলতি বছর অক্টোবরে মিসরের পর্যটন শহর শারম আল শেখে ‘শান্তি সম্মেলনে’ ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির নথিতে স্বাক্ষর করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অন্য দেশের নেতারা। এর মধ্য দিয়ে দুই বছরের চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটে। হামাস ও ইসরায়েল উভয়েই বন্দি ও জিম্মিদের লাশ হস্তান্তর করে। বিশ্বব্যাপী ইসরায়েল ও হামাসের এ যুদ্ধবিরতি ছিল আলোচিত ও স্বস্তির খবর।

৪. ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: গত ১৩ জুন ইরানে ইসরায়েলি বিমান হামলার পর, ইরানও প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েলে মিসাইল হামলা শুরু করে। এরপর পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্রে হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে যায় দুই দেশ। ২৩ জুন ইরান-কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির কথা জানান ২৪ জুন। প্রায় ১২ দিন ধরে চলা সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় দুই দেশ।

৫. ভারত-পাকিস্তান সংঘাত: ভারত শাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটকদের ওপরে বন্দুকধারীদের হামলা হয়েছিল গত ২২ এপ্রিল। হামলায় নিহত হয় ২৫ জন বেসামরিক নাগরিক। পর্যটকদের মধ্যে একজন নেপালের নাগরিকও ছিলেন। সেই হামলার জন্য পাকিস্তানকেই অভিযুক্ত করেছিল ভারত। ওই হামলার জেরে ১৯৬০ সালের সিন্ধু জলচুক্তি সাময়িক স্থগিত করে ভারত। সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেয়া হয় আটারি সীমান্ত চৌকি। সার্কভুক্ত দেশগুলোর জন্য যে ভিসা ছাড়ের সুবিধায় পাকিস্তানিরা ভারতে এসেছিলেন, সেটাও বাতিল করা হয়। পাকিস্তানের সামরিক পরামর্শদাতাদের এক সপ্তাহের মধ্যে দিল্লি ছাড়তে বলা হয়, কমানো হয় দূতাবাসের কর্মী সংখ্যাও।

পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তানও। তারা সিমলা চুক্তিসহ ভারতের সঙ্গে থাকা সব দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দেয়। পাশাপাশি ওয়াঘা সীমান্ত চৌকি বন্ধ করে দেয় এবং ভারতের দূতাবাসে থাকা সামরিক পরামর্শদাতাদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়। হামলার ঠিক ১৫ দিন পর ৭ মে বুধবার ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ পরিচালনা করে। মাঝরাতে পাকিস্তান ও তাদের নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নয়টি জায়গার ২৪টি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় ভারত।

৬. জেন জি আন্দোলন: নেপালে অভ্যুত্থান ও অন্যান্য: বিশ্বব্যাপী ২০২৫ যেন ছিল আন্দোলনের বছর। সেপ্টেম্বরে নেপাল সরকার যখন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করেছিল, তখন গর্জে উঠেছিল দুর্নীতি এবং বেকারত্বের ফলে ক্ষোভে ভরা প্রজন্ম। ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর ‘জেন-জি’র ব্যানারে নেপালের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দুর্নীতির ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভের রূপ নেয়। ৮ সেপ্টেম্বর আন্দোলনকারীদের দমনে ১৯ তরুণের মৃত্যু হলে এর প্রতিক্রিয়ায় ৯ সেপ্টেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসযজ্ঞ হয় এ বিক্ষোভ ও সহিংসতাকে কেন্দ্র করে। বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন ১২ সেপ্টেম্বর। যদিও তিন মাসে মধ্যেই গত ১৩ ডিসেম্বর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর দলের বিশাল রাজনৈতিক সমাবেশ হয়েছে।

এছাড়াও চলতি বছর আগস্টে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। মালিতে নতুন করে গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলন শুরু হয় ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে। সেপ্টেম্বর ফ্রান্সে ‘ব্লোকঁ তু’ (সবকিছু বন্ধ) আন্দোলনে প্যারিসসহ বিভিন্ন শহর উত্তাল হয়। আন্দোলন হয়েছিল মূলত বাজেট সংকোচন নীতি এবং সামাজিক সেবার বৈষম্যের বিরুদ্ধে।

৭. জোহরান মামদানির মেয়র নির্বাচন: বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে ২০২৫ সালের অন্যতম আলোচিত খবর ছিল নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচন। যুক্তরাষ্ট্রের এ অঙ্গরাজ্যের সাবেক গভর্নর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুমো ও রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়াকে পরাজিত করে নিউইয়র্ক সিটি তাদের পরবর্তী মেয়র হিসেবে বেছে নেন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট জোহরান মামদানিকে। নানা কারণেই এ নির্বাচন ছিল আলোচনার শীর্ষে। মামদানি যেমন নিউ ইয়র্কের প্রথম মুসলিম মেয়র, দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ও আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী, তেমনি গত ১০০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে নিউইয়র্ক শহরের সর্বকনিষ্ঠ মেয়রও তিনি। মাত্র ৩৪ বছর বয়সী জোহরান মামদানির জয় সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম ছিল বিশ্বব্যাপী। এছাড়াও আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল- মামদানির ট্রাম্পকে স্বৈরাচার এবং ট্রাম্পের মামদানিকে ‘কমিউনিস্ট’ আখ্যা দেয়া, এমনকি মামদানি নির্বাচিত হলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিউইয়র্কের সরকারি তহবিল কমিয়ে দেয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন। মামদানিকে নিয়ে অ্যান্ড্রু কুয়োমো করেছিলেন ‘বর্ণবাদী’ মন্তব্য। এমনকি মেয়র নির্বাচনের পর ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথম স্বাক্ষাৎও বিশ্বব্যাপী ছিল আলোচনায়। ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিউইয়র্ক সিটির ১১১তম মেয়র নির্বাচিত হন তিনি।

৮. আফগানিস্তান ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ: প্রাকৃতিক দুর্যোগও ছিল ২০২৫ সালের আলোচনা অন্যতম বিষয়। ৩১ আগস্ট রাতে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় কুনার প্রদেশে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই ভূমিকম্পে ২২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত ও ৩ হাজের বেশি মানুষ আহত হয়েছিল। হতাহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা ছিল উল্লেখযোগ্য। এ ভয়াবহ ভূমিকম্প যেমন বিশ্বব্যাপী আলোচনায় ছিল, তেমনি আলোচনায় ছিল তালিবান সরকারের ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়া নারীদের উদ্ধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা। শরিয়া আইনে পরিচালিত দেশটিতে অনেক নারী ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে ছিলেন। অনেক ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় নারীদের উদ্ধার ও চিকিৎসা গুরুতরভাবে বিলম্বিত হয়েছে।

এ ছাড়া বছরের শুরুতেই ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল, নভেম্বর – ডিসেম্বরে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যা, দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবল বৃষ্টি ও ভূমিধস, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। এবং ২০২৫ সালে পৃথিবীর বহু অঞ্চলে দেখা গেছে রেকর্ডভাঙা তাপমাত্রা ।

৯. স্বর্ণের অস্থিতিশীল বাজার: ২০২৫ সাল জুড়েই স্বর্ণের বাজারের অস্থিতিশীলতা ছিল বিশ্ব সংবাদের আন্যতম আলোচ্য বিষয়। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের উল্লম্ফন, বাংলাদেশের বাজারেও ছিল নতুন রেকর্ড। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্পট মার্কেটে সর্বশেষ সর্বচ্চ দাম আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৫৩০ ডলার ৬০ সেন্ট এবং বাজুজ নির্ধারিত ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা। উঠা-নামা করেছে রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও।

২৬ ডিসেম্বর বিশ্ববাজারে রুপার দাম প্রথমবারের মতো আউন্সপ্রতি ৭৫ ডলার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদহার আরো কমানোর প্রত্যাশা, বিনিয়োগ চাহিদা বৃদ্ধি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা মূল্যবান ধাতুর বাজারে এ ঊর্ধ্বগতি তৈরি করেছে। এর আগে ১৯৭০-এর দশকে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিকসন ব্রেটন উডস মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা বাতিল করার পর স্বর্ণের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ডলারের কাছাকাছি এবং রুপার দাম ৯০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

১০. ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’আটক: গাজাগামী মানবিক সাহায্য বহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ছিল আলোচনার ঝড়। আগস্টের শেষে ফ্লোটিলার প্রথম বহরের স্পেনের বার্সেলোনা থেকে যাত্রা শুরু করে। যেখানে অংশ নিয়েছিল প্রায় ৫০টি বেসামরিক নৌযান এবং প্রায় ৪৪টি দেশের ৫০০ মানুষ। ফ্লোটিলায় ছিল সুইডিশ জলবায়ু কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলা, বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক, আইনপ্রণেতা, চিকিৎসক, ধর্মীয় নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা। অক্টোবর ২ ইসরায়েল একে একে এই বহরের নৌযানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে। নৌযানে থাকা মানবাধিকারকর্মী ও ক্রুদেরও আটক করতে থাকে ইসরায়েলি বাহিনী। যা বিশ্বব্যাপী তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

এছাড়া ১৪ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি সমুদ্রসৈকতে একটি ইহুদি উৎসবে বন্দুকধারী বাবা-ছেলে গুলি চালালে ১৫ জন নিহত ও ডজনখানেক মানুষ আহত হবার ঘটনা, নভেম্বরে হংকংয়ের তাই পোতে এলাকায় একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, বিবিসি’র দুই শীর্ষ কর্মকর্তার একযোগে পদত্যাগ ও পক্ষপাতিত্ব বিতর্কে মিডিয়ায় ঝড়, অক্টোবরে জাপানের রাজনীতিতে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সানায়ে তাকাইচির জয়, সেপ্টেম্বরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন এর স্বাক্ষাত, আগস্টে ফ্রান্স থেকে শরণার্থী ও অভিবাসীদের ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমের চেষ্টা, জুলাইয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্ত সংঘর্ষ, এপ্রিলে সুদানের উত্তর দরফুরের তাওইলা শহরে জমজম শরণার্থী শিবিরে আরএসএফ-এর হামলা ও ভ্যাটিকানে পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান, ছিল বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের আলোচিত খবর।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর