এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও :: ঈদগাঁওতে কোরবানের ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী বিশাল গরু-মহিষের হাট। হাটবাজারে দেশীয় গরুর সয়লাভ দেখা গেছে।
লাল বাদশাহ,টাইগার বাদশাসহ বিভিন্ন নাম ও সাইজের গরু কানায় কানায় পূর্ণ।
(২৩মে) শনিবার দুপুর থেকে শুরু হয় ঈদগাঁওর পশুর বাজার। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও স্টেশন হয়ে কলেজ গেইট পযন্ত দীর্ঘলাইন জুড়ে গরুর বাজার বসে।
তবে করিম সিকদার ব্রিক ফিল্ডের ভেতরে মহিষের বাজার। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদগাঁও বাজারে বিরাট গরুর হাটটি উপজেলা প্রশাসন তথা খাস কালেকশালে পরিচালিত হয়।
এ বাজারে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে গরু-মহিষ বিকিকিনি হচ্ছে বলে আগত ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান।
দেখা যায়, মহাসড়কের দুই পাশ,ফিলিং স্টেশন মাঠসহ বাণিজ্যিক খামার এখন কর্মচাঞ্চল্যের শেষ নেই। ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে পছন্দের গরু মহিষ কেনাকাটা নিয়ে চলছে দরদাম।
কোরবানির পশুর হাটকে ঘিরে যেন নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়।
দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঈদগাঁওর বৃহৎ পশুর হাট জমে উঠেছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভীড়। তবে এবার বাজারে ক্রেতার চেয়ে পশুর সংখ্যা বেশি দেখা গেছে।
এতে কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ী। এ বছর ঈদগাঁওর গরু বাজারে সন্তোষজনক হাসিল আদায়ে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়রা মহাখুশি।
বাজার ঘুরে আরো দেখা যায়, ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের পাড়া মহল্লা থেকে পালিত গরু মহিষ নিয়ে পশুর হাটে এসেছেন বিক্রেতারা। এবার দেশীয় পালিত গরুর সংখ্যা বেশি।
ছোট, বড় ও মাঝারী আকারের গরু মহিষে সযলাভ হয়ে উঠেছে ঈদগাঁও বাজার। বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা লক্ষনীয়।
পুলিশ ও আনচার সদস্যদের টহল যেন চোখে পড়ার মত। পশুর হাট বসানো হয় ইসলামী ব্যাংকের জাল নোট শনাক্তকারী মেশিন।
যাতে আর্থিক লেনদেনে কেউ প্রতারণার শিকার না হন। এই বিশাল পশুর হাটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তিনজনের একটি টিমকেও দেখা যায়।
মাইজ পাড়ার এক গরু বিক্রেতা জানান, তার পালিত গরুর দাম হাঁকা হয়েছিল ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা, কিন্তু ক্রেতারা ৮০ হাজার পয়ন্ত দেখছে বলেও জানান এ প্রতিবেদককে।
আরেক বিক্রেতা শুক্কুর জানান, এবছর ঈদগাঁওর শশুর হাটে ভিনদেশীয় গরু নেই। সব স্থানীয় লোকজনের পালিত গরু।














