কক্সবাংলা ডটকম :: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রোববার লিভারপুলের মাঠে ১-০ গোলের জয় তুলে নিয়েছে আর্সেনাল। এই জয়ে তারা ম্যানসিটিকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে যায়।
৯ ম্যাচ থেকে গানারদের সংগ্রহ ২৪ পয়েন্ট, আর সিটি ২১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে। শনিবার ব্রাইটনের কাছে হেরে বসেছে ম্যানসিটি।
লা লিগায় গত সপ্তাহে এল ক্ল্যাসিকো জিতে উদ্দীপ্ত রিয়াল মাদ্রিদ রোববার রাতে হারাল রেসিং সান্তান্দারকে। ৩-০ গোলের সহজ জয়ে শিরোপার রেসে টিকে থাকল হোসে মরিনহোর দল।
সান্তান্দারের মাঠে আধিপত্য করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। গোল করেন ফরাসি সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে, ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম ও আইভরিয়ান উইঙ্গার ইয়ান দিওমান্দে।
১১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন এমবাপ্পে। ২১ মিনিটে আরদা গুলারের পাস থেকে দলের দ্বিতীয় গোল করেন বেলিংহ্যাম। ৩৬ মিনিটে রিয়ালের হয়ে তৃতীয় গোল করেন দিওমান্দে।
সান্তান্দার চলতি মৌসুমে এই প্রথম ঘরের মাঠে হারল, যারা ১৪ মৌসুম পর লা লিগায় ফিরেছে।
এই জয়ে বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান কমাল রিয়াল। ১১ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা, সমান ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ দুইয়ে ও রিয়াল ২৭ পয়েন্ট নিয়ে তিনে।
১৪ বছর পর আর্সেনালের অ্যানফিল্ড জয়
এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এই মাঠে জয়ের দেখা পায়নি তারা। অবশেষে অ্যানফিল্ডে অপেক্ষার অবসান ঘটল আর্সেনালের। কাই হ্যাভার্টজের একমাত্র গোলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লিভারপুলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে গানাররা। এই জয়ে ম্যানচেস্টার সিটিকে টপকে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেও উঠেছে মিকেল আর্তেতার দল।
লিভারপুলের মাঠে এর আগে সবশেষ ২০১২-১৩ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগে জিতেছিল আর্সেনাল। এই জয় এসেছিল ২-০ গোলে।
পুরো ম্যাচে অবশ্য দাপট ছিল স্বাগতিকদেরই। ৫৫ শতাংশের বেশি সময় পজেশন রেখে স্বাগতিকরাই বরং গোলের জন্য বেশি শট নিয়েছে। কিন্তু তাদের ১৭ শটের একটিও লক্ষ্যে ছিল না। আর্সেনাল ১০টি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখতে পারে।
৯ ম্যাচে আট জয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আর্সেনাল। ২১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে ম্যানচেস্টার সিটি। দ্বিতীয় হারের স্বাদ পাওয়া লিভারপুল ১৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে পঞ্চম স্থানে।
ম্যাচের ১৬তম মিনিটে প্রথম সুযোগেই এগিয়ে যায় আর্সেনাল। নিজেদের সীমানায় লিভারপুল পজেশন হারানোর পর, সতীর্থের পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে ডান দিক থেকে দূরের পোস্টে বল বাড়ান ডেক্লান রাইস, আর নিচু শটে গোলটি করেন হ্যাভার্টজ।
আট মিনিট পর দ্বিতীয় গোল পেতে পারতেন এই জার্মান। কিন্তু ব্রুনো গিমারেসের কোনাকুনি শট পোস্টের কাছ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় টাচটা করতে পারেননি তিনি।
শেষ পর্যন্ত ম্যাচে আর গোল না হওয়ায় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আর্সেনাল।














