সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :: বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ) উদ্যোগে, সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়ন এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত ‘স্ট্রেনদেন্ড অ্যান্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিম্স)’ প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘এক্সেস টু জাস্টিস’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ সভার মূল লক্ষ্য ছিল অভিবাসী কর্মীদের আইনি সহায়তার মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজারের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনডব্লিউএলএ-এর পরিচালক মোর্শেদ বিলাল খান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের চীফ লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা (সিনিয়র সিভিল জজ) অভিজিৎ চৌধুরি।
স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনডব্লিউএলএ সদস্য ও সিম্স প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার অ্যাডভোকেট ফেরদৌস নিগার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আক্তার উদ্দিন হেলালী, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রতিনিধি এবং প্রত্যাশী প্রকল্পের ব্যবস্থাপক বশির আহমেদ মনি।

সভায় সিম্স প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রোগ্রাম অফিসার মো. হানিফ মাহমুদ।
এছাড়া প্রকল্পের আওতায় আইনি সহায়তা পাওয়া কয়েকজন অভিবাসী কর্মী তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রতিটি নাগরিকের সরকারি লিগ্যাল এইড সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, কোনো অভিবাসী কর্মী প্রতারণা বা নির্যাতনের শিকার হলে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাধ্যমে তারা সহজেই আইনি সহায়তা পেতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা থাকলে অনেক সময় অপরাধীরা শাস্তি এড়িয়ে যায়, ফলে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়। তাই ভুক্তভোগী অভিবাসী কর্মীদের জন্য দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।
এছাড়া জেলা লিগ্যাল এইড সেবার বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিএনডব্লিউএলএ’র সদস্য আইনজীবী, প্যানেল আইনজীবী, হেলভেটাস বাংলাদেশের প্রতিনিধি, প্রত্যাশী প্রকল্পের প্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক, পিবিআই সদস্যসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে মতামত প্রদান করেন।















