সোমবার ২৫ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদগাঁও খালের ওপর সেতু আছে,পারাপারে সংযোগ নেই : ঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা

🗓 বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

👁️ ৪৮ বার দেখা হয়েছে

🗓 বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

👁️ ৪৮ বার দেখা হয়েছে

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও :: ঈদগড়-ইসলামাবাদ সংযুক্ত গজালিয়ায় ঈদগাঁও খালের ওপর প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি নির্মাণ শেষে এখন অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

সেতুর দুই প্রান্তে কোন সংযোগ সড়ক নির্মিত হয়নি।

ফলে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মই বেয়ে সেতুতে উঠতে হচ্ছে, বা দেয়ালের উপর দিয়ে হেঁটে পার হতে হচ্ছে।

দেখা যায়, গজালিয়ার স্থানীয় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও পথচারীরা ঝুঁকিপূর্ণভাবে মই বেয়ে সেতু পার হচ্ছেন।

কেউ বই হাতে দেয়ালের উপরে হেঁটে যাচ্ছেন, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও দুঃখজনক চিত্র।শিক্ষার্থীদের মতে, মই বেয়ে ওপরে উঠতে হয়।

এক হাতে বই, অন্য হাতে মই ধরতে হয়। একটু পা পিছলে গেলে বড় বিপদ হয়ে যেতে পারে। বৃষ্টি হলে দেয়াল পিচ্ছিল হয়ে যায়। তখন ভয় আরও বেড়ে যায়। সংযোগ সড়কের দ্রুত বাস্তবায়ন চাই।

সেতুটি চালু হলে, ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা, তিন মুখা ও সাত তারা নামের ডাকাত প্রবণ এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার জন্য এ সেতুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এটি চালু হলে ঈদগড়, গজালিয়া ও ইসলামাবাদসহ তিন উপজেলার লক্ষাধিকেও বেশি মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হতো।

সচেতন মহলের দাবী,সেতুটি ব্যবহারের উপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে যেন উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যর্থতা পরিণত না হয় এমনটাই প্রত্যাশা।

সূত্র মতে, জমি সমস্যার সমাধান না হওয়ায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হয়নি। ফলে সেতুটি এখন কেবলই একটি নির্জীব কাঠামো হয়ে আছে।

মধ্যম গজালিয়ার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জালাল উদ্দীন জানান, প্রায় ২/৩ বছর ধরে সেতুর এপার ওপার পারাপারে সংযোগ নেই। যার ফলে ছাত্রছাত্রীসহ সাধারণ লোকজন চলাফেরায় চরম বিপাকে পড়েন।

পাশাপাশি কষ্ট পাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এটি হলে ডাকাতির ঝুঁকি কমে যেতো।

সাবেক মেম্বার সিরাজুল হক জানান, জায়গা সমস্যার কারনে দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থায় রয়েছে। কোন রকম কষ্ট করে পারাপারা হচ্ছেন লোকজন।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর