এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :: কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে গরু পরিচর্যায় ব্যস্তসময় পার করছেন ঈদগাঁওয়ের খামারিরা। কোরবানির ক্ষেত্রে পছন্দের তালিকায় থাকে দেশীয় গরু।
গরুর চাহিদা মেটাতে ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাড়া মহল্লায় ছোট/বড় গরুর খামার গড়ে উঠে।
গরু সুস্থ-সবল রাখতে ব্যস্ততা বেড়েছে ঈদগাঁওর নানান গ্রামে গরু খামারিদের। গ্রামের ভিন্নতা হল, কম-বেশি গরুর খামার রয়েছে।
এসব গরু স্থানীয় হাটের চাহিদা পূরণ করে বিভিন্ন স্থানে ব্যবসায়ীরা নিয়ে যান। বিশেষ করে কোরবানি ঈদে গরু বিক্রির ধুম পড়ে পশুর হাটে। কে কত গরু বিক্রি করল তা নিয়ে চলে খামারিদের প্রতিযোগিতা।
গরু খামারিরা নিজের উদ্যোগে স্বল্প পরিসরে এক-দু’টা গরু দিয়ে নিজের বাড়িতে গরু খামার শুরু করেন। বর্তমানে উপজেলার আওতাধীন বিভিন্ন গ্রামে গরুর খামার তৈরি করে কিছুটা হলেও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়।
য়আনোয়ার হোসেন জানান, বিগত কয়েকটি বছর পূর্বে অল্প সংখ্যক গরু নিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করেছি। এখন আমার খামারে ৪/৫টি গরু আছে। এসব গরু কোরবানী ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
আবু ছৈয়দ নামের আরেক ব্যবসায়ী জানান, প্রতিবছরই কোরবানের ঈদকে ঘিরে গড়ে উঠে এলাকায় ছোট ছোট খামার। বড় কিংবা মাঝারী আকারের দেশীয় গরু চোখে পড়ে খামারে।অনেকে গরুর খামার দিয়ে সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
খামারিদের মতে, ছোট ও মাঝারী আকারের গরুর চাহিদা থাকতে পারে। গোখাদ্যও পরিবহন খরচ বৃদ্বির কারনে দাম বাড়তে পারে।
সচেতন মহল জানান, গরু মোটা-তাজা করণ খামার তৈরি করা যেতো, তাহলে একদিকে যেমন, গরুর মাংসের ঘাটতি মিটতো, অপর দিকে বেকার সমস্যা থাকতো না। আবার কোরবানি ঈদে বার্মিজ গরু আসায় খামারিরা চরম দু:চিন্তায় পড়েন।
ঈদগাঁও উপজেলায় খামারিদেরকে গরু মোটা-তাজাকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ, সেমিনার সরকারী ভাবে এখনো দেওয়া হয়নি বলে জানান উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম তালুকদার।














