কক্সবাংলা ডটকম(২৪ জুন) :: প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিনে যতটা না সরগরম ছিল সাতাত্তর বছরের ঐতিহ্যবাহী আওয়ামি লিগ, তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি সতর্ক থাকতে দেখা গিয়েছে তারেক রহমান সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে।
গোটা দিন রাজপথে চোখ রাঙিয়ে ঘুরেছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও তাদের সহযোগী নেতাকর্মীরা।
ধানমন্ডিতে শেখ মুজিবের বাড়ি ঘিরে রাখা জামায়াত কর্মীরা বেধড়ক মারধর করেছে সাংবাদিকদের।
গুরুতর আহত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির জানান, জামায়াত কর্মীরা ‘আওয়ামি দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাঁকে মারধর করে।
আহত মাহফুজুরকে সহকর্মীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ দিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও বিজিবিকে যানবাহন ও পথচারীদের তল্লাশি করতে দেখা গিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামি লিগের কেন্দ্রীয় দপ্তর ঘিরে দিনভর পাহারা দিয়েছে বিএনপির যুব ও ছাত্র শাখার কর্মীরা।
আওয়ামি লিগ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দলীয় কোনও কর্মসূচি ঘোষণা না করলেও কয়েক দিন ধরে কর্মী ও সমর্থকেরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী-সহ বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে ঝটিকা মিছিল বার করে অস্তিত্ব জানান দিচ্ছিলেন।
মঙ্গলবার আওয়ামি লিগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ঘিরে ২২ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সরকার ঢাকা ও কয়েকটি জেলায় সশস্ত্র সেনা মোতায়েন করে।
মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর সাতটি এলাকা এবং কক্সবাজার, মাদারিপুর, শেরপুর, গাজিপুর ও মৌলভিবাজারে বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
মঙ্গলবার সারা দেশে দল বেঁধে, লাঠি হাতে সক্রিয় ছিলেন বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতা-কর্মীরাও। বিকালে ঢাকায় জামায়াত ও এনসিপি আলাদা ভাবে কর্মী সমাবেশও করেছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভির দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনোবল বাড়াতে তাঁদের কর্মীরা রাজপথে নেমেছিলেন।
এর মধ্যেই জেলায় জেলায় আওয়ামি লিগের কর্মীরা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিল করে। অনেক জায়গায় দলের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে বিলি করা হয়।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামি লিগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ২৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
গোপালগঞ্জে ৬ জন ও রাঙামাটিতে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঝিনাইদহে আওয়ামি লিগ নেতা মুস্তাফিজুর রহমান বিজুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও কর্মীরা তাঁকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছেন।
ফরিদপুরে মুখোশ পরে বড়সড় মিছিল করেছে ছাত্রলিগের কর্মীরা।














