কক্সবাংলা রিপোর্ট :: ঢাকার ধামরাইয়ে চাঞ্চল্যকর শংকর চন্দ্র মন্ডল (২৮) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি মো. ওয়াজেদ হাজী (৫০)-কে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫ ও র্যাব-০৪-এর যৌথ আভিযানিক দল।
গত ২৬ আগস্ট রাত আনুমানিক ৮টা ৫৫ মিনিটে কক্সবাজার সদর থানাধীন কলাতলী ডলফিন মোড়সংলগ্ন ময়না হোটেলে অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা ওয়াজেদ হাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ৮ আগস্ট সকালে ঢাকার ধামরাই থানাধীন পশ্চিম কায়েতপাড়া এলাকায় সীমা সিনেমা হলের রাস্তার পাশে ওবায়েদিল হাজী মালিকানাধীন রাইস মিলের অফিসে শংকর চন্দ্র মন্ডলকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে রড ও কাঠের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হলে পরিবারের সদস্যরা ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করেন। তবে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাকে ঢাকায় নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পরে গত ১৫ আগস্ট ভোরে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শংকর চন্দ্র মন্ডলের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
হত্যাকাণ্ডের পর মামলার আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে চলে যায়।
গ্রেপ্তারকৃত মো. ওয়াজেদ হাজী (৫০) ধামরাই থানার শরীফবাগ গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত ডাউরি ব্যাপারী।
চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত অব্যাহত ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৫ (ব্যাটালিয়ন সদর) ও র্যাব-০৪-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি ওয়াজেদ হাজীকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।














