কক্সবাংলা ডটকম(১৩ অক্টোবর) ::আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিক দলগুলো যতগুলো আসন দাবি করেছে, তাতে বিএনপির নিজের জন্য খুব বেশি আসন অবশিষ্ট থাকে না।
বিভিন্ন সময়ে সরকার গঠন করা দলটির কাছে শরিকরা ২২২টি আসন চেয়ে তালিকা জমা দিয়েছে। তালিকা জমা না দেওয়া গণঅধিকার পরিষদ চেয়েছে ২০টি আসন।
শরিকদের দাবি পূরণ করা হলে বিএনপির নিজের জন্য অবশিষ্ট থাকবে মাত্র ৫৮টি আসন।
সে ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে বিএনপির আসন কোথায়? এমনও কথা উঠেছে, এরপর যদি এনসিপি বা অন্য কারও সঙ্গে নির্বাচনি জোট হয়, তাহলে তো আর বিএনপির হাতে আসনই থাকে না!
বিএনপির কাছে শরিকদের প্রত্যাশা স্বাভাবিক। তবে বাড়তি আসনের প্রত্যাশা অনেকের আকাশচুম্বী মনে হচ্ছে।
ইসলামপন্থি দলগুলোকে নিয়ে জামায়াতের জোট গঠনের উদ্যোগ বিএনপি-ঘনিষ্ঠদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে। সম্ভাব্য ওই জোট বিএনপিকে কিছুটা হলেও চাপে ফেলেছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন।
তাদের মতে, এ কারণে বিএনপির শরিকদেরও দাবির চাপ বেড়েছে। তাদের মনোভাব হলো; জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটকে মোকাবিলা করতে হলে শরিকদের প্রয়োজন পড়বে বিএনপির।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘জোট গঠন ও মিত্র দলগুলোকে আসনছাড়ের ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা চলছে।
পুরো বিষয়টি দেখছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, “শরিকরা আসনের তালিকা বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে জমা দিয়েছে। তাদের আসন চাইতে তো অসুবিধা নেই।
চাওয়ার সময় সবাই ‘কামান’ চায়, কিন্তু পায় ‘পিস্তল’। আসন বণ্টনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।”
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোট ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।
সেই সময়ে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’কে ১৯টি এবং তৎকালীন ২০-দলীয় জোটকে মোট ৩৯ আসন ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি। এর মধ্যে শুধু জামায়াতকেই ছাড়া হয়েছিল ২২টি আসন।
এ ছাড়া এলডিপিকে পাঁচটি, খেলাফত মজলিসকে দুটি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে তিনটি, জাতীয় পার্টিকে (কাজী জাফর) দুটি, বিজেপি, কল্যাণ পার্টি, এনপিপি, লেবার পার্টি ও পিপিবিকে একটি করে মোট পাঁচটি আসন ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি।
সব মিলিয়ে ওই নির্বাচনে মোট ৫৮টি আসন ছেড়ে দিয়েছিল দলটি। এই দলগুলোর মধ্যে গণফোরাম ছাড়া বাকি সব দলের প্রার্থী লড়েছিলেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে।
ঐক্যফ্রন্টের দলগুলোর মধ্যে গণফোরামকে সাতটি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলকে (জেএসডি) চারটি, নাগরিক ঐক্যকে চারটি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগকে চারটি আসন দেওয়া হয়েছিল।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর দশম সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় জোটের মিত্র জামায়াতে ইসলামীকে ৩৯টি আসনে ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি।
জোটের অপর তিনটি দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), ইসলামী ঐক্যজোট এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে দুটি করে আসন ছেড়ে দিয়েছিল। ওই নির্বাচনে জামায়াত দুটি ও বিজেপি দুটি আসন পায়।
২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল আওয়ামী লীগের সঙ্গে। কিন্তু এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। নির্বাচনে বিএনপির প্রতিপক্ষ থাকতে পারে জামায়াতে ইসলামীসহ ধর্মভিত্তিক দলগুলো।
শরিকদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১২ জনকে ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছে বিএনপি। দ্বিপক্ষীয় আলোচনার টেবিলে আরও ১৫-২০টি আসনে ছাড় দিতে পারে দলটি। এ নিয়ে ভেতরে ভেতরে চলছে আলোচনা ও দর-কষাকষি।
এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে জোট গঠন ও আসন সমঝোতার ব্যাপারে চলছে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা। জোট হলে এনসিপিকে ২০ থেকে ২৫টি আসনে ছাড় দিতে পারে বিএনপি।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সরকারি ও বেসরকারি মোট সাতটি মাধ্যম থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ইতোমধ্যে ১২ জনকে মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছেন তিনি।
সূত্রের দাবি, এই ১২ জনের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, বগুড়া-৪ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ,
ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-২ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান রয়েছেন।
গণতন্ত্র মঞ্চ চায় ১৪৩ আসন
গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে বিএনপির কাছে ১৪৩ জনের তালিকা পাঠানো হয়েছে। মঞ্চের মাহমুদুর রহমান মান্না ও জোনায়েদ সাকিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকা-৮ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, জামালপুর-৫ আসনে ভাসানী জনশক্তি পার্টির সভাপতি শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, চাঁদপুর-১ আসনে শহীদুল্লাহ কায়সার, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রব, ফেনী-৩ আসনে জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ। তবে মঞ্চের শরিকদের মধ্যে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব শারীরিক অসুস্থতার জন্য এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইছেন না।
তা ছাড়া ওই আসনে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী সাবেক এমপি এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানকে ইতোমধ্যে মনোনয়নের সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। তবে রবের স্ত্রী জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রবকে ঢাকার উত্তরার একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেখা যেতে পারে।
গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘এটা আমাদের প্রাথমিক তালিকা। তালিকা আরও ছোট করে বিএনপির সঙ্গে আমরা আলোচনা করব।’
তিনি বলেন, ‘আমরা খুব তাড়াতাড়ি বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় বসব। নির্বাচন নিয়ে তাদের চিন্তাভাবনা শুনব, আমরাও আমাদের মতামত তুলে ধরব। এরপর তালিকার আসন ধরে ধরে হয়তো আলোচনা করব।’
এলডিপি চায় ১৩ আসন
এলডিপির পক্ষ থেকে দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ ১৩ জনের তালিকা লন্ডনে সরাসরি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে দিয়েছেন। ময়মনসিংহ-১০ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ, চট্টগ্রাম-৭ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল আলম তালুকদার, চট্টগ্রাম-৩ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জেনারেল (অব.) ড. চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী (বীর বিক্রম),
চট্টগ্রাম-১২ আসনে শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এম এয়াকুব আলী, ময়মনসিংহ-৮ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আওরঙ্গজেব বেলাল, জয়পুরহাট-২ আসনে উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক কারিমা খাতুন, চাঁদপুর-৫ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নেয়ামুল বশিরসহ ১৩ জনের তালিকা বিএনপির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
১২-দলীয় জোট চায় ২১ আসন
২১টি আসন চেয়ে বিএনপির কাছে তালিকা দিয়েছে ১২-দলীয় জোট। এর মধ্যে তিনজনকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কুষ্টিয়া-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব আহসান হাবীব লিংকন, মৌলভীবাজার-২ আসনে নবাব আলী আব্বাস, কুমিল্লা-৬ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহিউদ্দিন ইকরাম, যশোর-৫ আসনে রশিদ বিন ওয়াক্কাস, বরগুনা-২ আসনে ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, নোয়াখালী-৫ আসনে কল্যাণ পার্টির (একাংশ) চেয়ারম্যান সামসুউদ্দিন পারভেজ, ঢাকা-৫ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব তমিজউদ্দিন টিটু প্রমুখ।
১২-দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, ‘বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের নিয়ে জোট গঠনের ব্যাপারে ইতিবাচক। আমরা শুরু থেকেই বিএনপির সঙ্গে ছিলাম এবং আগামী দিনেও থাকব।’
জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট চায় ৯ আসন
জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের পক্ষ থেকে বগুড়া-১ আসনে খন্দকার লুৎফর রহমান, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, চট্টগ্রাম-১ আসনে গণদলের চেয়ারম্যান এ টি এম গোলাম মওলাসহ ৯ জনের তালিকা বিএনপির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
গণফোরাম চায় ১৫ আসন
গণফোরামের পক্ষ থেকে বিএনপির কাছে যাদের জন্য যে আসনগুলো চাওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো ঢাকা-৬ আসনে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, মাগুরা-১ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ডা. মিজানুর রহমান, নরসিংদী-৩ আসনে দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, ঢাকা-৫ আসনে অ্যাডভোকেট এস এম আলতাফ হোসেন, চাঁদপুর-৩ আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সেলিম আকবর, কুমিল্লা-৩ আসনে মোস্তাক আহমেদ, ময়মনসিংহ-৯ আসনে লতিফুল বারী হামিম, পটুয়াখালী-৩ আসনে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধুসহ ১৫ জন। আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে বিএনপির কাছে এই তালিকা জমা দেওয়া হবে।
ইরানের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি চায় ৬ আসন
ঝালকাঠি-১ আসনে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ফরিদপুর-১ আসনে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, গাজীপুর-৫ আসনে ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলী, ঢাকা-৭ আসনে ভাইস চেয়ারম্যান জোহরা খাতুন জুঁইসহ ছয়জনের তালিকা জমা দিয়েছে দলটি।
এ ছাড়া রাজবাড়ী-২ আসনে এনডিএম মহাসচিব মোমিনুল আমিনসহ এনডিএম ১০ জন এবং বিজেপি ৫ জনের তালিকা বিএনপির কাছে জমা দিয়েছে। গণঅধিকার পরিষদ ২০টিরও বেশি আসনে ছাড় চাইবে বিএনপির কাছে।
সূত্র জানায়, তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থী মনোনয়নের যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করা হবে। যাদের এবার মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হবে না, তাদের সংসদের উচ্চকক্ষে মূল্যায়নের চেষ্টা করবে দলটি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুগপৎ আন্দোলনের একজন সমন্বয়কারী বলেন, ‘আসন সমঝোতা নিয়ে শরিকদের সঙ্গে বিএনপির আলোচনা চলছে। দলগুলো প্রার্থীদের তালিকাও জমা দিয়েছে।
যাদের জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে, শুধু তাদের তালিকা দিলে বিএনপির কাছে তা বেশি গ্রহণযোগ্য হতো। তালিকা ঝুলিয়ে না রেখে যাদের আসন ছাড় দেওয়া হবে, তাদের আগেভাগে জানালে নির্বাচনি আসনে কাজ করা সহজ হবে। এ ছাড়া ওই সব আসনে বিএনপির তৃণমূলের প্রার্থীদের লাগাম টানার পরামর্শ দেন এই নেতা।
বিএনপির কাছে তারা পাঁচটি আসন চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিজেপি মহাসচিব ও ঢাকা-৫ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী আব্দুল মতিন সাউদ। তিনি বলেন, ‘যুগপৎ আন্দোলনে রাজপথে থেকে লড়াই-সংগ্রাম করেছি। এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। তবে মূল্যায়নের দায়িত্ব বিএনপির হাইকমান্ডের।’
গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে আমরা নির্বাচনি জোট গঠন করব কি না, তা নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’














