শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ চৈত্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন শুরু ‘যেকোনো সময়’

🗓 শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ৭ বার দেখা হয়েছে

🗓 শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ৭ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(১৬ এপ্রিল) :: চরম জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে দেশবাসী ও বর্তমান বিএনপি সরকার তাকিয়ে আছে দেশের অন্যতম মেঘা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রর দিকে।

সম্প্রতি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ থেকে কমিশনিং লাইসেন্স পেয়েছে।

এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে যেকোনো সময় উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।

ধারণা করা হচ্ছে, এপ্রিলের শেষে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম লোডিং শুরু হবে।

সব ঠিক থাকলে ডিসেম্বর থেকে ধাপে ধাপে মিলবে বিদ্যুৎ।

ইউনুস সরকারের বন্ধ করে যাওয়া আর বর্তমন  সরকারের সময়ে জ্বালানী সংকটে বন্ধ হওয়া সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে বিদ্যুতকেন্দ্রের সংখ্যা ৩৩টি।

আগস্ট ২০২৪ এর পরে বন্ধ হয়ে যাওয়া সহস্রাধিক গার্মেন্টোস, মিল, ফ্যাক্টরি ও শিল্প কারখানা সত্ত্বেও, ডিপিডিসি’র ওয়েবসাইটে প্রতি ঘন্টার বিদ্যুৎ উৎপাদনের হিসাবে অনুযায়ি বাংলাদেশে দৈনিক লোডশেডিং এর পরিমান ২৫০০ মেগাওয়াট।

যদিও এই মুহুর্তে ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ এর পরিমান এযাবতকালের সর্বোচ্চ, দৈনিক ২৫৮০ মেগাওয়াটে উন্নিত হয়েছে।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বিএইআরএ) থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কমিশনিং লাইসেন্স পেয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, এর ফলে প্রথম ইউনিটে যেকোনো সময় উৎপাদন শুরু হতে পারে।

ধারণা করা হচ্ছে, এপ্রিলের শেষ নাগাদ প্রথম ইউনিটে জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোডিং শুরু হবে।

সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বর থেকে ধাপে ধাপে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

প্রকল্পটির প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ চলছে। পুরো প্রকল্প ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

পুরোপুরি চালু হলে দুটি ইউনিট থেকে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ২০১৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করে বাংলাদেশ। এর দুই বছর পর ২০১৫ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়।

এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণ রাশিয়ার অর্থায়নে ও প্রযুক্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আওয়ামী লীগ সরকারের এ ধরনের সাহসী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তসমূহ আগামী দিনের বাংলাদেশকে এনার্জি নিরাপত্তা, দক্ষতা ও শিল্পায়নে অনেক দূর এগিয়ে নেবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রূপপুর প্রকল্পটি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্প নয়, বরং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে এই প্রকল্প থেকে আসা বিদ্যুৎ দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনে নতুন আশার সঞ্চার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর