রবিবার ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬ চৈত্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্বস্তিকর গরমে আরাম দেবে যে পাঁচ পানীয়

🗓 বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ৩৫ বার দেখা হয়েছে

🗓 বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

👁️ ৩৫ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম :: মৌসুমে সহজলভ্য কাঁচা আম দিয়ে তৈরি শরবত শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। কাঁচা আমের সঙ্গে লবণ, চিনি, পুদিনা পাতা ও সামান্য কাঁচা মরিচ মিশিয়ে তৈরি এ পানীয় শরীরের পানির অভাব দূর করার পাশাপাশি ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে

তীব্র রোদ, দমবন্ধ করা গরম আর অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত। অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে পানি ও প্রয়োজনীয় লবণ। এতে শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি আরো বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু পানি পানই সবসময় যথেষ্ট হয় না। শরীরের হারানো খনিজ ও শক্তি পুনরুদ্ধারে প্রয়োজন সঠিক ধরনের তরল। সহজলভ্য উপকরণ দিয়েই ঘরে তৈরি করা যায় এমন কিছু পানীয়, যা একদিকে শরীর ঠান্ডা রাখে, অন্যদিকে পুষ্টির ঘাটতিও পূরণ করে।

লেবু-পানি –সহজেই তাৎক্ষণিক স্বস্তি

গরমে সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর পানীয় হলো লেবু-পানি। এক গ্লাস পানিতে লেবুর রস ও সামান্য পরিমাণ লবণ মিশিয়ে তৈরি এ পানীয় শরীরের লবণের ঘাটতি পূরণে সহায়ক। ডায়াবেটিস না থাকলে সামান্য চিনি যোগ করলে তা দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে। লেবুতে থাকা ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

ডাবের পানি –প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট

ডাবের পানি গরমের দিনে একপ্রকার প্রাকৃতিক ওআরএস। এতে থাকা পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ শরীরকে দ্রুত সতেজ করে তোলে। ডায়রিয়া বা অতিরিক্ত দুর্বলতায় এটি বিশেষভাবে উপকারী। তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার ক্ষেত্রেও ডাবের পানির জুড়ি নেই।

কাঁচা আমের শরবত-স্বাদে-গুণে ভরপুর

মৌসুমে সহজলভ্য কাঁচা আম দিয়ে তৈরি শরবত শুধু সুস্বাদুই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ। কাঁচা আমের সঙ্গে লবণ, চিনি, পুদিনা পাতা ও সামান্য কাঁচা মরিচ মিশিয়ে তৈরি এ পানীয় শরীরের পানির অভাব দূর করার পাশাপাশি ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে।

পুদিনা শরবত-প্রশান্তির ছোঁয়া

পুদিনা পাতা গরমে এনে দেয় স্বস্তির অনুভূতি। লেবুর রস বা পানির সঙ্গে পুদিনা মিশিয়ে তৈরি শরবত শরীরকে শীতল রাখে এবং বমিভাব কমাতে সাহায্য করে। দিনের ক্লান্তি দূর করতেও এটি কার্যকর।

মৌরি ভেজানো পানি

গরমে হজমের সমস্যাও বাড়ে। এ ক্ষেত্রে মৌরি ভেজানো পানি হতে পারে সহজ সমাধান। এটি গ্যাস কমায়, হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে এটি পান করলে উপকার পাওয়া যায়।

তবে পানীয় গ্রহণে কিছু বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন। অতিরিক্ত বরফ বা খুব ঠান্ডা পানীয় শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানীয় বেশি নিরাপদ। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে চিনি এড়িয়ে চলা, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে লবণ কমানো এবং কিডনি রোগীদের জন্য অতিরিক্ত পটাশিয়ামযুক্ত পানীয় সীমিত রাখা উচিত।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর