মঙ্গলবার ১১ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপহরণ, মুক্তিপণ, ডাকাতি ও মানবপাচারের ঝুঁকিতে টেকনাফের উপকূল

🗓 মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

👁️ ১৩ বার দেখা হয়েছে

🗓 মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

👁️ ১৩ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক :: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পাহাড়ি ও উপকূলীয় অঞ্চলে অপরাধচক্রের দৌরাত্ম্যে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, ডাকাতি ও সমুদ্রপথে মানবপাচার চরম আকার ধারণ করেছে।

গত তিন বছরে উখিয়া ও টেকনাফে তিন শতাধিক মানুষের অপহরণের শিকার হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক তৈরি করেছে এবং অনেকে ভিটেমাটি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘরছাড়া হচ্ছেন।

কক্সবাজারের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে পাহাড় আর মাঝখানে দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ—প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়ন।

কিন্তু এই সৌন্দর্যের আড়ালেই পাহাড়ঘেরা দুর্গম এলাকায় বাড়ছে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, ডাকাতি ও মানবপাচারের অভিযোগ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, পাহাড় ও সমুদ্রের দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে অপরাধীরা একদিকে মানুষকে অপহরণ করে পাহাড়ে আটকে রাখছে, অন্যদিকে উপকূলের বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে মানবপাচারের চেষ্টা করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে টেকনাফের বাহারছড়াসহ পাহাড়ঘেঁষা বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৩২০ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন।

এর মধ্যে গত এক বছরেই অপহৃত হয়েছেন ১৫৫ জন; তাদের ৯৬ জন রোহিঙ্গা।

একই সময়ে হত্যা, গুলিবর্ষণ ও পাহাড় থেকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ৪ জুলাই টেকনাফে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় অপহরণপ্রবণ এলাকায় স্থায়ী পুলিশ চৌকি স্থাপন, বিশেষ যৌথ অভিযান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চিরুনি অভিযান জোরদার এবং পাহাড়ি এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর পাহাড়ে পরিচালিত অভিযানের আদলে বাহারছড়াতেও বিশেষ অভিযান চালানোর পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

সন্ধ্যার পর বদলে যায় পরিস্থিতি

বাহারছড়ার নোয়াখালীপাড়া, জুম্মাপাড়া, শীলখালী, কচ্ছপিয়া, জাহাজপুরা, নয়াপাড়া ও আশপাশের পাহাড়ঘেঁষা এলাকায় সন্ধ্যার পর মানুষের চলাচল কমে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পাহাড় থেকে সশস্ত্র লোকজন নেমে আসার আতঙ্কে অনেকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হন না। মাঝেমধ্যে পাহাড়ের দিক থেকে গুলির শব্দ শোনার দাবিও করেছেন কয়েকজন বাসিন্দা।

তবে সব গুলির শব্দ বা অভিযোগের সত্যতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে—এমন নয়। যেমন, জুনে বাহারছড়ায় গোলাগুলির অভিযোগে ৯৯৯-এ ফোন করা হলেও ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পায়নি বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

স্থানীয়দের কেউ কেউ নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাড়িঘর ছেড়ে তুলনামূলক নিরাপদ এলাকায় চলে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, পাহাড়ের কাছাকাছি বসতিগুলোতে রাতের বেলায় আতঙ্ক সবচেয়ে বেশি থাকে।

একের পর এক অপহরণের অভিযোগ

চলতি বছরের ১৫ মে দিবাগত রাতে বাহারছড়ার নোয়াখালীপাড়ার ঝর্ণাপাড়া এলাকা থেকে হোছেন আলী (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ পরিচয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরিবারের দাবি, রাত প্রায় ১টা ৪০ মিনিটের দিকে সাইক্লোন সেন্টারের পাশের বাড়ি থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়।

এর কয়েক দিন পর কচ্ছপিয়া এলাকায় মোহাম্মদ হুসাইন (৪৫) নামের আরেক ব্যক্তিকে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এর আগে ২ মে রাতে নোয়াখালীপাড়া ব্রিজ এলাকায় অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এক যুবক গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিযোগও ওঠে। ওই ঘটনায় স্থানীয়দের বক্তব্যে একজনের নাম এলেও অভিযোগের সব বিষয় আদালতে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি ঘটে ২৮ জুন। বাহারছড়ার জুম্মাপাড়া এলাকা থেকে পল্লী ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক কামাল উদ্দিন (৬৫)কে দিনদুপুরে অস্ত্রধারীরা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। এক সপ্তাহ পর মুক্তিপণের বিনিময়ে তিনি পরিবারের কাছে ফিরে আসেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়।

এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জুলাইয়ে উত্তর নয়াপাড়া এলাকার পাহাড়ের পাদদেশ থেকে শিশু আরাফাতকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। পরিবারের দাবি, নিখোঁজ হওয়ার পর ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল।

এ ছাড়া জুলাইয়ে বাহারছড়ার বিভিন্ন এলাকায় শিশু-কিশোরদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির আরও অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে আসে। এসব ঘটনার প্রকৃত সংখ্যা, একই চক্রের সম্পৃক্ততা এবং অপহৃতদের অবস্থান—সবকিছুই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের বিষয়।

পাহাড়ে আটকে রেখে মুক্তিপণ

স্থানীয় বাসিন্দা ও অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাড়ি, রাস্তা কিংবা পাহাড়ের পাদদেশ থেকে মানুষ তুলে নিয়ে প্রথমে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে অস্থায়ী ঘর বা ঝুপড়িতে আটকে রেখে পরিবারের সদস্যদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

কোনো কোনো ঘটনায় কয়েক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে বলে পরিবারগুলো জানিয়েছে। মুক্তিপণ দেওয়ার পর ভুক্তভোগীদের ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাও রয়েছে। তবে এসব ঘটনায় কারা জড়িত, কতটি চক্র সক্রিয় এবং পাহাড়ের কোন কোন এলাকা ব্যবহার করা হচ্ছে—তা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে।

পাহাড়ে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা

এপ্রিল মাসে বাহারছড়ার উত্তর শীলখালী এলাকার গহীন পাহাড় থেকে তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। ২১ এপ্রিল কাঠুরিয়ারা পাহাড়ে তাদের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করেছিল, অপহরণ ও মানবপাচারকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ ও কারা জড়িত, তা তদন্তের বিষয়।

এই ঘটনার পর পাহাড়ঘেঁষা বসতিগুলোর মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাহাড়ে অপরাধীদের অবাধ চলাচল থাকায় অনেক ঘটনায় ভুক্তভোগী বা পরিবারের সদস্যরা প্রকাশ্যে কথা বলতেও ভয় পান।

মানবপাচারের ট্রানজিট রুট

বাহারছড়ার দীর্ঘ উপকূল ও পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি মানবপাচারের ঝুঁকি বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, পাচারকারীরা প্রথমে পাহাড়ের পাদদেশ বা দুর্গম এলাকায় লোকজনকে জড়ো করে রাখে। পরে সুযোগ বুঝে সাগরপথে ট্রলারে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

মার্চে বাহারছড়ার নোয়াখালীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মানবপাচারকারীদের আস্তানা থেকে চারজনকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে তিনজন স্থানীয় ও একজন রোহিঙ্গা ছিলেন বলে পুলিশ জানায়।

জুনেও টেকনাফের উপকূল দিয়ে মাছ ধরার নৌকা ব্যবহার করে মানবপাচারের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বোঝা যায়, পাহাড়ি এলাকা ও সমুদ্রপথ—দুই ধরনের ভূপ্রকৃতিই পাচারকারীদের তৎপরতায় ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

জুলাইয়ে বাহারছড়ায় কোস্টগার্ডের অভিযানে নারী ও শিশুসহ ৫৫ জনকে উদ্ধার এবং পাঁচজনকে মানবপাচারের অভিযোগে আটক করার খবরও প্রকাশিত হয়।

ডাকাতি ও অস্ত্রের অভিযোগ

অপহরণের পাশাপাশি বাহারছড়ার পাহাড়ঘেঁষা এলাকায় ডাকাতি ও অস্ত্রের অভিযোগও রয়েছে। গত মে মাসে র‌্যাব-১৫ নোয়াখালীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল গফুর (৪৪) নামে একজনকে অস্ত্র, গুলি ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের তথ্য জানায়। তাকে ডাকাত দলের নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয়দের বক্তব্যে আরও কয়েকজনের নাম বিভিন্ন সময় এসেছে। তাদের কারও বিরুদ্ধে মামলা থাকার কথা স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্থানীয় অভিযোগ বা মামলার তথ্যকে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার সমতুল্য হিসেবে দেখা যায় না। এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করবে তদন্ত ও আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সঙ্গেও যোগসূত্রের অভিযোগ

টেকনাফের নয়াপাড়া ও লেদাসহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায়ও অপরাধী চক্রের তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করেন, কিছু অপরাধী ক্যাম্পের বাইরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করে অপহরণ, মাদক ও মানবপাচারের মতো অপরাধে জড়িত থাকতে পারে।

তবে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করা সমীচীন নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। ক্যাম্পগুলোতে এপিবিএনের টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশের তৎপরতা বাড়ানোর উদ্যোগ

অপহরণপ্রবণ এলাকাগুলোতে পুলিশের স্থায়ী উপস্থিতি বাড়াতে নতুন পুলিশ চৌকি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৪ জুলাইয়ের বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় বাহারছড়াসহ পাহাড়ঘেঁষা এলাকায় পুলিশ চৌকি স্থাপন এবং যৌথ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়।

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি, বাহারছড়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় স্থায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হোক। তাদের মতে, বর্তমান তদন্তকেন্দ্র বা থানা থেকে দূরের পাহাড়ি এলাকায় কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে।

পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‌্যাব ও এপিবিএনের বিভিন্ন অভিযানেও অপহৃত ও পাচারের শিকার ব্যক্তিদের উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। মার্চে বাহারছড়ার পাহাড় থেকে চারজনকে উদ্ধারের ঘটনাটি তার একটি উদাহরণ।

ভৌগোলিক অবস্থানই বড় চ্যালেঞ্জ

বাহারছড়ার সংকটের অন্যতম কারণ এর ভৌগোলিক অবস্থান। একদিকে বঙ্গোপসাগর, অন্যদিকে দুর্গম পাহাড়—এর মাঝখানে বিচ্ছিন্ন জনপদ ও দীর্ঘ উপকূলীয় সড়ক। ফলে অপরাধীদের জন্য দ্রুত অবস্থান বদলানো এবং পাহাড় থেকে সমুদ্রের দিকে চলে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় বলে স্থানীয়রা মনে করেন।

অন্যদিকে মেরিন ড্রাইভ ও পাহাড়ি সড়ক দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল থাকলেও গহীন পাহাড়ের প্রতিটি অংশে নিয়মিত নজরদারি চালানো কঠিন। এ কারণে শুধু অভিযান নয়, স্থায়ী পুলিশ চৌকি, গোয়েন্দা নজরদারি, পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা এবং স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার দাবি উঠেছে।

আতঙ্ক কাটাতে স্থায়ী সমাধানের দাবি

বাহারছড়ার বাসিন্দাদের কাছে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—অভিযান ও গ্রেপ্তারের পরও কেন বারবার নতুন করে অপহরণের অভিযোগ উঠছে?

স্থানীয়দের মতে, কোনো একটি চক্রের কয়েকজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। পাহাড়ে অপরাধীদের আস্তানা, অবৈধ অস্ত্র, মানবপাচারের নেটওয়ার্ক, মুক্তিপণের অর্থের প্রবাহ এবং অপরাধীদের সঙ্গে সহযোগী নেটওয়ার্ক—সবকিছুর বিরুদ্ধে সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, অপহরণ ও মানবপাচারের অভিযোগগুলো তদন্ত করা হচ্ছে এবং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি টেকনাফে পুলিশের উপস্থিতি বাড়াতে নতুন ফাঁড়ি স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে পাহাড় ও সাগরের মাঝের সৌন্দর্যের জনপদ বাহারছড়া এখন নিরাপত্তার বড় পরীক্ষার মুখে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পাহাড়ে স্থায়ী নজরদারি, উপকূলে টহল, মানবপাচার নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং অপহরণকারীদের দ্রুত বিচারের মাধ্যমে আতঙ্কের এই পরিস্থিতির অবসান ঘটবে।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর