এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও :: কখনো মেঘ,কখনো রোদ বা থেমে থেমে হচ্ছে বৃষ্টি। বর্ষার মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টির দিনে ছাতার চাহিদা তুঙ্গে আর বেড়েছে বিক্রি। দামে চড়া। সহজে বহনযোগ্য, মান এবং দামের কারণে মাঝারী ছাতার চাহিদা একটু বেশি।
সরেজমিনে নিউ মার্কেট, রহমানিয়া মার্কেট, বঙ্গ মার্কেট হাজী মার্কেট,বেদার মার্কেটসহ বাজারে পশ্চিমের গলি ঘুরে দেখা যায়, রহমান, শংকর,শরীফ,অ্যাটলাস ও মুন ব্র্যান্ডের ছাতার চাহিদা বর্তমানে বেশি।
এছাড়া ও নানান দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের ছাতা মিলছে ঈদগাঁও বাজারে। কয়েকটি মাস ছাতার চাহিদা একটু বেশি থাকে।
দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজারে বিভিন্ন মার্কেটসহ শপিংমলেই ছাতার সমাহার। হরেক রংঙ্গের ছাতা চোখে পড়ে। তবে দাম নিয়েই আপত্তি উঠে ক্রেতাদের মাঝে।
একটু ভাল মানের হলেই ৫/৬ শত টাকা, মাঝারী দামের ৩/৪শ টাকা কম দামি মানে ২শ ৫০ থেকে ৩শ টাকা একেবারে ছোট সাইজ ছাতি একেকটা একেক দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
আরো দেখা যায়,নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীরা কিনছেন ছাতা। ছাত্রীদের এক কালার ও ডিজাইন করা ছাতা পছন্দনীয়। ছাত্ররা কালারে দিকে দৃষ্টি না রেখেই ভালমানের ছাতার প্রতি ঝুঁকছেন।
ছাতা কিনতে আসা আইরিন জানান, ডিজাইন ও দামে ভালোটা নেবো। এখন যেকোন সময় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। বৃষ্টি না হলেও গরমে মধ্যে ছাতা লাগে। অতিরিক্ত গরমেও ছাতা ব্যবহার করা যায়।
পশ্চিম গলির ছাতা বিক্রেতা অসীমের মতে,বৃষ্টির সময়ে ছাতা বেশি বিক্রি হয়। বৃষ্টির দিন ছাড়া ছাতার চাহিদা তেমন থাকেনা। ক্রেতা আসলেই চাহিদা অনু পাতে বিক্রি করে যাচ্ছি ছাতা।
আরেক বিক্রেতা জানান, ছাতার রঙ আকর্ষণীয় হলে মাঝ বয়সীদের কাছে বিদেশি ছাতার চাহিদা বেশি। মেয়ে ও ছেলেদের ছাতা আলাদা হয়। এক রঙ ও দেশিয় ছাতার দাম একটু বেশি। ক্রেতারা মানের চেয়ে ডিজাইনের দিকে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে।














