কক্সবাংলা রিপোর্ট :: কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের বরাদ্দকৃত ৪০০ মেট্রিক টন চালের আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। এছাড়া সরকার, জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন মানবিক সহায়তা অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশ সরকারের অবিচল মানবিক অঙ্গীকার এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরআরআরসি কার্যালয় ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
পরে বিকেলে বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস ডমিনিক উশিয়ামা আরআরআরসি কার্যালয়ে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে তিনি জানান, সাম্প্রতিক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ডব্লিউএফপি ইতোমধ্যে ৫ হাজার প্যাকেট গরম খাবার এবং পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট বিতরণ করেছে। এ কার্যক্রম সময়োপযোগী মানবিক সহায়তা প্রদানে ডব্লিউএফপির অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
মিস উশিয়ামা মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে আরআরআরসি কার্যালয়ের নেতৃত্ব, কার্যকর সমন্বয় এবং ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
একই সঙ্গে তিনি ডব্লিউএফপির মানবিক কার্যক্রমকে টেকসই রাখতে আরও সমন্বিত ও কৌশলগত সম্পদ সংগ্রহ উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে তিনি চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে সরেজমিন ধারণা লাভ এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের লক্ষ্যে অদূর ভবিষ্যতে ভাসানচর পরিদর্শনের আগ্রহও প্রকাশ করেন।
আরআরআরসি কার্যালয় ডব্লিউএফপির সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও আশ্রয়দানকারী স্থানীয় সম্প্রদায়ের কল্যাণে সমন্বিত, নীতিনিষ্ঠ ও কার্যকর মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে।















