শুক্রবার ৭ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই মামলায় স্বস্তি, খালাস সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম

🗓 বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬

👁️ ১৬ বার দেখা হয়েছে

🗓 বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬

👁️ ১৬ বার দেখা হয়েছে

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া :: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম পৃথক দুটি মামলায় খালাস পেয়েছেন।

এর মধ্যে ভুয়া ও অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যুর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।

অন্যদিকে, সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাত ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের হওয়া দুর্নীতির মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলাটি পরিসমাপ্তি ঘোষণা করেছে।

জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত মামলায় গত ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান রায় ঘোষণা করেন। মামলায় অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিমকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়া হয়।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন জানান, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণে সাবেক সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে দণ্ডিত করেন।

তবে সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াসিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

এদিকে, মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য হামিদা খালেদ দায়িত্ব পালনকালে ওয়াসিমের বিরুদ্ধে টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে আদালতে একটি দুর্নীতির মামলা দায়ের করেন।

আদালতের নির্দেশে বিষয়টি তদন্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের দীর্ঘ তদন্তে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ কিংবা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ফলে কমিশন মামলাটি পরিসমাপ্তি ঘোষণা করে এবং ওয়াসিমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে উল্লেখ করে।

এ বিষয়ে শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম বলেন, জন্মনিবন্ধনের কারিগরি কার্যক্রম ও কোড ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সচিবের ওপর ন্যস্ত থাকে। তদন্তকারী কর্মকর্তা নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে আগেই আমাকে অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দিয়েছিলেন।

আদালতও আমাকে চূড়ান্তভাবে খালাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, দুর্নীতির অভিযোগও দীর্ঘ তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।

এজন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনকালে মগনামা ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, উপকূলীয় বেড়িবাঁধ সংস্কার এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি।

এসব কর্মকাণ্ডের কারণে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা দিয়েছিল। আদালত ও তদন্ত সংস্থার সিদ্ধান্তে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ওয়াসিম দাবি করেন, একটি উপকূলীয় বেড়িবাঁধ সংস্কার প্রকল্পের কাজ তিনি নিজস্ব অর্থায়নে সম্পন্ন করেছিলেন।

পরে বিল সংক্রান্ত বিরোধ ও ভুল বোঝাবুঝির জেরে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। তবে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলাটি পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

তিনি বলেন, আমি আইন ও বিচার বিভাগের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ভবিষ্যতেও মগনামাবাসীর পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।

এই বিভাগ এর আরো খবর

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর