বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ায় ডিজিটাল নিউজ প্ল্যাটফর্ম ঢাকা সিডনি ইনসাইডারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা

🗓 বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

👁️ ১২ বার দেখা হয়েছে

🗓 বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

👁️ ১২ বার দেখা হয়েছে

কক্সবাংলা ডটকম(৯ সেপ্টেম্বর) :: শুধু সংবাদ বা তথ্য পরিবেশন নয়, বহুসাংস্কৃতিক সমাজের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে যোগাযোগ, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ঐক্য গড়ে তোলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গণমাধ্যমকে ভূমিকা পালন করতে হবে—এমন প্রত্যয়কে সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে বাংলা ও ইংরেজি ভাষার ডিজিটাল নিউজ প্ল্যাটফর্ম ‘ঢাকা সিডনি ইনসাইডার’

বহুসাংস্কৃতিক অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনযাপন, সাফল্য, সমস্যা, সম্ভাবনা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ব্যবসা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে প্ল্যাটফর্মটির যাত্রা শুরু হয়েছে।

সিডনির হার্স্টভিল সিভিক থিয়েটারে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার ঢাকা সিডনি ইনসাইডারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি, স্থানীয় সরকার, বহুসাংস্কৃতিক সমাজ, কমিউনিটি নেতৃত্ব, আইন, শিক্ষা, ব্যবসা ও গণমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের মূল আলোচনার বিষয় ছিল—‘গণমাধ্যমের গুরুত্ব: তথ্য প্রদান, সংযোগ স্থাপন এবং বহুসাংস্কৃতিক সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করা।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাল্টিকালচারালিজমের সংসদীয় সচিব মার্ক বুটিগিগ এমএলসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন এনএসডব্লিউ পার্লামেন্টের সাবেক সহকারী প্রেসিডেন্ট শওকত মোসলমানি, ডেপুটি মেয়র মাসুদ চৌধুরী, কাউন্সিলর এলিজা রহমান, কাউন্সিলর মাসুদ খলিলসাবেক কাউন্সিলর শাহে জামান টিটু

এ ছাড়া বক্তব্য দেন কমিউনিটি নেতা গামা আব্দুল কাদের, একুশে একাডেমির সভাপতি সুলতান মাহমুদ, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি মনিরুল হক জর্জ, কমিউনিটি নেতা শফিকুল আলম, বিশিষ্ট কলামিস্ট অজয় দাস গুপ্ত, কলামিস্ট ড. সাখাওয়াত নয়ন, কমিউনিটি নেতা ফজলুল হক সফিক, গ্রেস ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক সিমরিতা খাডকার এবং বিশিষ্ট আইনজীবী রাজদত্ত

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা সিডনি ইনসাইডারের সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি ড. মো. সিরাজুল হক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান সম্পাদক আজাদ কবির। অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করে বক্তব্য দেন নির্বাহী সম্পাদক রহমত উল্লাহ

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকেও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুক্তমঞ্চের সম্পাদক মো. নোমান শামীম, সিডনি বাংলা নিউজের সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি অর্ক হাসান, স্বদেশ বার্তার সম্পাদক ফয়সাল আজাদ এবং বাংলাদেশ মিডিয়া ফোরাম অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি হুমায়ুন কবির রোজসহ অনেকে।

তথ্যপ্রবাহের পাশাপাশি যোগাযোগের সেতু

আলোচনায় বক্তারা বলেন, ডিজিটাল যুগে গণমাধ্যমের দায়িত্ব এখন আর কেবল সংবাদ প্রকাশ ও তথ্য সরবরাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে একজন মানুষ মুহূর্তের মধ্যে পৃথিবীর অন্য প্রান্তের তথ্য জানতে পারছেন। ফলে গণমাধ্যমকে একই সঙ্গে তথ্যের নির্ভুলতা, দ্রুততা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হচ্ছে।

বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার মতো বহুসাংস্কৃতিক দেশে বিভিন্ন ভাষা, ধর্ম, জাতিগোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে যোগাযোগ তৈরিতে কমিউনিটি মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত দেন বক্তারা।

তারা বলেন, অভিবাসী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির সংবাদ যেমন তুলে ধরতে হবে, তেমনি বৃহত্তর অস্ট্রেলীয় সমাজের সঙ্গে সেই কমিউনিটির যোগাযোগও তৈরি করতে হবে। এতে পারস্পরিক দূরত্ব কমবে, ভুল বোঝাবুঝি দূর হবে এবং সামাজিক সম্প্রীতি আরও শক্তিশালী হবে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার প্রত্যয়

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও তাদের অনেক সাফল্য, উদ্যোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ড মূলধারার গণমাধ্যমে পর্যাপ্তভাবে উঠে আসে না। একইভাবে অভিবাসননীতি, শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা, স্থানীয় সরকার, আবাসন ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রবাসীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যও অনেক সময় বিচ্ছিন্নভাবে পৌঁছায়।

বক্তারা বলেন, বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য একটি দায়িত্বশীল কমিউনিটি মিডিয়া এসব তথ্য সহজ ভাষায় তুলে ধরতে পারে। একই সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্জন, নতুন প্রজন্মের সাফল্য, উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং সমাজসেবামূলক কার্যক্রম তুলে ধরে কমিউনিটির ইতিবাচক পরিচিতি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

ঢাকা সিডনি ইনসাইডার বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষায় সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে এই যোগাযোগ আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

‘সংবাদ প্রকাশ করাই শেষ কথা নয়, টিকিয়ে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ’

অনুষ্ঠানের আলোচনায় গণমাধ্যমের ভবিষ্যৎ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে একটি নিউজ পোর্টাল বা ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম চালু করা তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও দীর্ঘমেয়াদে সেটিকে বিশ্বাসযোগ্য ও টেকসই প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা কঠিন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তারের ফলে এখন যে কেউ দ্রুত তথ্য প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সব তথ্য নির্ভরযোগ্য নয়। ফলে পেশাদার সংবাদমাধ্যমের অন্যতম বড় দায়িত্ব হচ্ছে তথ্য যাচাই করে পাঠকের কাছে সঠিক সংবাদ পৌঁছে দেওয়া।

পাঠকের আস্থা অর্জন, তথ্যের সত্যতা যাচাই, সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ, বিভিন্ন মত ও শ্রেণির মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, দক্ষ সাংবাদিক তৈরি, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা এবং আর্থিকভাবে সংবাদমাধ্যমকে টেকসই রাখা—এসব বিষয়কে বর্তমান সময়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন বক্তারা।

তারা বলেন, একটি সংবাদমাধ্যমের সাফল্য শুধু কত দ্রুত সংবাদ প্রকাশ করতে পারছে তার ওপর নির্ভর করে না; বরং সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা, বস্তুনিষ্ঠতা, পেশাদারিত্ব, বৈচিত্র্য এবং পাঠকের আস্থা দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের মূল ভিত্তি।

বহুসাংস্কৃতিক অস্ট্রেলিয়ায় কমিউনিটি মিডিয়ার নতুন দায়িত্ব

অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা নিজ নিজ ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে বসবাস করছেন। একই সঙ্গে তারা দেশটির অর্থনীতি, শিক্ষা, ব্যবসা, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন।

বক্তারা বলেন, এই বৈচিত্র্যকে বিভাজনের পরিবর্তে সামাজিক শক্তিতে পরিণত করতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কমিউনিটি মিডিয়া একদিকে যেমন নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সমস্যা ও দাবিদাওয়া তুলে ধরতে পারে, অন্যদিকে বৃহত্তর সমাজের কাছে সেই জনগোষ্ঠীর ইতিবাচক কর্মকাণ্ড ও অবদান তুলে ধরতে পারে।

স্থানীয় সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে অভিবাসী কমিউনিটির যোগাযোগ তৈরিতেও গণমাধ্যম কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মত দেন বক্তারা।

তাদের মতে, একজন নতুন অভিবাসীর জন্য স্থানীয় আইন, সরকারি সেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ব্যবসা ও সামাজিক সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি স্থানীয় প্রশাসন ও অস্ট্রেলীয় সমাজের জন্যও অভিবাসী কমিউনিটির প্রয়োজন ও বাস্তবতা সম্পর্কে জানা জরুরি। এই দুই পক্ষের মধ্যে তথ্যের সেতু হিসেবে কমিউনিটি মিডিয়া কাজ করতে পারে।

বাংলা ও ইংরেজিতে দুই সমাজের মধ্যে সেতুবন্ধন

ঢাকা সিডনি ইনসাইডারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষায় সংবাদ পরিবেশনের বিষয়টি অনুষ্ঠানে গুরুত্ব পায়।

বক্তারা বলেন, বাংলা ভাষার সংবাদ প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজেদের শিকড়, সংস্কৃতি ও বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ধরে রাখতে সহায়তা করবে। অন্যদিকে ইংরেজি ভাষায় সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশি কমিউনিটির কর্মকাণ্ড, সাফল্য ও অবদান বৃহত্তর অস্ট্রেলীয় সমাজের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ, প্রবাসীদের জীবন ও অভিজ্ঞতা, কমিউনিটি কার্যক্রম, শিক্ষা, অভিবাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও স্থানীয় নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিয়মিত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটি দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করতে চায়।

নতুন প্রত্যাশা নিয়ে ঢাকা সিডনি ইনসাইডার

অনুষ্ঠানে বক্তারা ঢাকা সিডনি ইনসাইডারের আনুষ্ঠানিক যাত্রাকে স্বাগত জানিয়ে এটিকে দায়িত্বশীল, নিরপেক্ষ ও পেশাদার সাংবাদিকতার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তারা বলেন, নতুন একটি সংবাদমাধ্যমের সামনে যেমন সম্ভাবনা রয়েছে, তেমনি রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক ও সামাজিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে থেকে সত্য, নির্ভুলতা ও জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে পারলে একটি কমিউনিটি মিডিয়া দীর্ঘমেয়াদে মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে।

ঢাকা সিডনি ইনসাইডারের পক্ষ থেকে বলা হয়, শুধু সংবাদ প্রকাশ করাই তাদের লক্ষ্য নয়। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তর সমাজের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগের সেতু তৈরি করাই তাদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষায় সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশিদের সঙ্গে তাদের শেকড়ের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার সমাজের কাছে বাংলাদেশি কমিউনিটির জীবন, সাফল্য, সংগ্রাম ও অবদান তুলে ধরতে চায় ঢাকা সিডনি ইনসাইডার।

অনুষ্ঠানের বক্তাদের প্রত্যাশা, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, তথ্যের নির্ভুলতা, পেশাদারিত্ব এবং বহুসাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে ধারণ করে নতুন এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটির পাশাপাশি বৃহত্তর বহুসাংস্কৃতিক সমাজেও একটি কার্যকর যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

এই বিভাগ এর আরো খবর

কুতুবদিয়ার অদম্য মেধা শরিফুল

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিলুপ্তির পথে কাজিরমার্কেট-কাটাফাঁড়ি সড়ক

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারে পুলিশের অভিযানে আটক হলো ২২ অপরাধী

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টৈইটংয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান জাহেদ উল্লাহ

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চকরিয়াকে ট্রাইবেকারে ৩-১ গোলে হারিয়ে রামুর জয়

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বাধিক পঠিত খবর

এই বিভাগের আরো খবর